সামাজিক দূরত্বে খোলা বাজার, বাস্তবায়নে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির প্রশাসন

fec-image

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি রোধে সামাজিক দূরত্বের খোলা বাজার বাস্তবায়নে
সফল হয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর উপজেলা প্রশাসন। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দু’টি এবং রামুর ১টি সাপ্তাহিক হাট-বাজার সরেজমিন ঘুরে এ অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রধান হাটটি মার্মা পাড়া সংলগ্ন এলাকায়। বাজারটিতে উপজেলা সদর ইউনিয়ন, কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া, সোনাইছড়িসহ আশপাশের অনেক ব্যবসায়ী ও ভোক্তা আসতেন। এ কারণে এটি অনেক জনপ্রিয় হাট-বাজার।

উপজেলার সকল র্কমকর্তা-কর্মচারী আর ১১ বর্ডার র্গাড ব্যাটালিয়ন‘সহ আশপাশের হাজার হাজার লোক এ বাজারে আসে। এসব কারণে এ বাজার করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে ছিলো। পাশাপাশি বাইশারী বাজারটিও শতশত রাবার বাগান সমৃদ্ধ এলাকা হওয়ায় এটির গুরুত্ব অনেক।

এ বাজারে ঈদগড়, ঈদগাও এবং গর্জনিয়ার অনেক ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা সমাগম হন। এ অবস্থায় করোনার প্রার্দুভাব দেখা দিলে সরকারের সিদ্ধান্তে উপজেলাকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়।

দূর্গন্ধময় এ বাজারগুলোকে মূলস্থান থেকে সরিয়ে সদরেরটিকে ছালেহ আহমদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আর বাইশারীরটিকে বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরিয়ে নেয়া হয়। খোলা মাঠে এ দুটি বাজার বসানোর কারণে মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাচাঁ বাজার‘সহ সব প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারছেন।

ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, দেশের এ খারাপ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসন অনেক ভাল করেছেন। তাদের এ বাজারটি পরির্দশনে এসেছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অধ্যাপক মো: শফিউল্লাহ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি এবং থানার অফিসার ইনর্চাজ আনোয়ার হোসেন।

ব্যবসায়ী মংকিউচিং মার্মা বলেন, খোলা বাজারে বেচা-কেনার শুরুর দিন থেকে তাদেরকে হাসিল ফ্রি করে দেয়া হয়েছে। এটি এক ধরণের সহায়তা। উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তিনি ধন্যবাদ জানান, যে গরিবের পেটে ভাত দেবার ব্যবস্থা করার জন্যে।

অপরদিকে রামু উপজেলার গর্জনিয়া বাজারটি পরে হলেও খোলা বাজারে তথা ব্রীজের নিচে নিয়ে যাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমাকে ভোক্তারা সাধুবাদ দেন।

ভোক্তা মৌলানা আলী আকবর বলেন, তিনি ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাও। গর্জনিয়া বাজারে লোকজন সমাগম হয় বেশী। এটি হয়ে আসছে যুগযুগ ধরেই। সীমান্তের উপজাতি-বাঙ্গালি সকলে এ বাজারে আসে সপ্তাহে দু’দিন। আর এ অবস্থায় করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি রোধে তিনি বাজার সরিয়ে খোলা মাঠে নিয়ে আসায় এ ঝুঁকি কিছুটা কমে যাবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা বলেন, তিনি জনর্স্বাথে খোলা মাঠে নিয়ে এসেছেন বাজারটি। তহশিলদার নিয়মিত তদারকি করছেন এ বাজার। যেন করোনার প্রার্দুভাব রোধ সম্ভব হয়।

তিনি আরো বলেন, এভাবে তিনি পুরো রামুতে জনর্স্বাথে রাত-দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আরো করবেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস, নাইক্ষ্যংছড়ি, রামু
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন