হেরে যেতেই পারি, কিন্তু কতটা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ : লিটন দাস


কড়া নাড়ছে মর্যাদার এশিয়ার কাপ। তার আগে মাসখানেক ধরে প্রস্তুত হয়েছে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলটি। বড় মঞ্চের আগে মাঠের খেলায় পরীক্ষা নিতে দেশে এসেছে অরেঞ্জ বাহিনী। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের এই সিরিজে জয়-হারের চেয়ে কোয়ালিটি ক্রিকেটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস বলেন, ‘বাংলাদেশ এর আগেও অনেক টিমের কাছে হেরেছে, নতুন কোনো কিছু না। যদি হেরেও যাই, হেরে যেতেই পারি। দুইটা দলই খেলতে এসেছে, একটা টিম জিতবে, একটা টিম হারবে। বাট আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারছি, এটা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’
সিলেটের কন্ডিশনও আবুধাবির কাছাকাছি বলে প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে মনে করেন অধিনায়ক, ‘এখানকার কন্ডিশনটা অলমোস্ট সিমিলার হওয়ার চান্স আছে ওখানে আবুধাবিতে। সো আমরা কয়েকদিন ধরে প্র্যাকটিস করেছি এবং একটা ম্যাচও খেলেছি আমরা। আর আমরা জানি এখানকার কন্ডিশন কী হতে পারে এবং আমাদের প্লেয়াররাও সব জানে যে ওখানে কন্ডিশন কী হতে পারে। সো, চেষ্টা করব ওই কন্ডিশনটাকে কাজে লাগিয়ে যেন ম্যাচের রেজাল্ট বের করতে পারি।’
বাংলাদেশে ‘এ’র বিপর্যয়, সর্বোচ্চ ২৭ করলেন একজন বোলারবাংলাদেশে ‘এ’র বিপর্যয়, সর্বোচ্চ ২৭ করলেন একজন বোলার দলের নতুন করে সুযোগ পাওয়া কাজী নুরুল হাসান সোহান ও সাইফ হাসানকে নিয়েও আশাবাদী লিটন, ‘আমি তো ভেরি হ্যাপি যে আমার টিমে দুজন প্লেয়ার ইনক্লুড হয়েছেন। সোহান এবং সাইফ বিগত অনেকগুলো বছর ধরেই তারা ভালো ক্রিকেট খেলছে।
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট, যেকোনো সময় অ্যাগ্রেসিভ ক্রিকেট খেলার জন্য আপনি আউট হয়েই যেতে পারেন। এটা আমরা টিম ম্যানেজমেন্ট বুঝবো যে প্লেয়ারটা কী রকম খেলার চেষ্টা করছে। যদি বুঝি যে না, সে টিমের জন্য সবকিছু দিতে প্রস্তুত, নিশ্চিতভাবেই টিম ম্যানেজমেন্ট তাদের ব্যাক করবে।’

















