পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের শক্তহাতে দমনের দাবি বিপিটি’র


খাগড়াছড়ির গুইমারাতে সেনাবাহিনীর উপর হামলায় তীব্র নিন্দা এবং দেশের অখন্ডতা রক্ষার্থে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের শক্তহাতে দমনের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি)।
বিবৃতিতে বিপিটির কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মো. নুর নবী উল্লেখ করেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পাহাড়ি মারমা কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ’র সরাসরি ইন্ধনে সেনাবাহিনীর উপর হামলা হয়েছে। যা ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সূত্র ও গণমাধ্যমে দেখতে পেয়েছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে পার্বত্য ৩টি জেলাকে আলাদা করার প্রয়াসে দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে ইউপিডিএফ সহ নানা বিচ্ছিন্নতাবাদী দেশ বিরোধী গোষ্ঠী। তারা পান থেকে চুন খসলেই পাহাড়ে বসবাসকারী বাঙালি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর উপর হামলে পড়ে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সম্প্রতি মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের যে অভিযোগ করা হয়েছে আমরা অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি। ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত একজনকে আটক করে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখে। কিন্তু সুযোগ সন্ধানী ইউপিডিএফ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মধ্যেই পুরো পাহাড় জুড়ে সহিংস তাণ্ডব চালিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বহিরাগতদের দিয়ে পাহাড়ে বসবাসকারীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করে। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ প্রতিহত করতে গিয়ে প্রায় ১৩ জন সেনাসদস্য আহত হন। সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান যে, ধর্ষণের অভিযোগ অজুহাত মাত্র। তাদের আসল উদ্দেশ্য হিন্দুদের সবচে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং জাতিসংঘের অধিবেশন উপলক্ষ্যে সফররত অর্ন্তবর্তী সরকার প্রধান ড. ইউনুসকে বিতর্তিক করা।
কোন প্রকার শৈথিল্যতা প্রদর্শন না করে পাহাড়ে শান্তি বিনষ্টকারী ইউপিডিএফ সহ সকল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দেশের অখণ্ডতা রক্ষার্থে শক্ত হাতে প্রতিহত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানায় সংগঠনের নেতারা।

















