ছোট্ট শিশু ইয়ামিনের জীবন বাঁচাতে হৃদয়বান মানুষের সহায়তা চাইছে পরিবার

fec-image

মানুষ, মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মায়ের কোলজুড়ে এসেছিল নতুন অতিথি। জন্মের পর পরিবারের স্বপ্ন ছিল শিশুটিকে ঘিরে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার। কিন্তু পৃথিবীতে আসার দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই কঠিন এক রোগের সঙ্গে জীবনযুদ্ধে নামতে হয়েছে ছোট্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে। বয়স মাত্র ১ মাস ২৬ দিন। এই বয়সেই সে আক্রান্ত হয়েছে জন্মগত লিভারের জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি এট্রেসিয়া’য়।

চিকিৎসকরা বলছেন, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করালে শিশুটির জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। তবে সেই অপারেশনের ব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারটির। তাই সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সহায়তা কামনা করছেন ইয়ামিনের বাবা-মা।

ইয়ামিনের বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, জন্মের কয়েকদিন পর থেকেই শিশুটির শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, সে ‘বিলিয়ারি এট্রেসিয়া’ নামের জটিল রোগে আক্রান্ত। বর্তমানে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু পুষ্টি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইয়ামিন। হাসপাতালের ১৫ নং ওয়ার্ডের ১ নং বেডে ভর্তি আছে শিশুটি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ইয়ামিনের দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এ জন্য প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। কিন্তু স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারটির পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্তানের চিকিৎসার খরচ চালাতে ইতোমধ্যে ধারদেনা করতে হচ্ছে পরিবারটিকে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইয়ামিনের মা আফসানা আক্তার বলেন, “আমার সন্তানের বয়স এখনও দুই মাস হয়নি। ওকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা দরকার। একটু সাহায্য পেলেই হয়তো আমার সন্তান নতুন জীবন ফিরে পাবে।”

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাদের বর্তমান বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমবাগান গ্রামে। এর আগে তারা রাঙামাটির কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকার বাংলা কলোনিতে বসবাস করতেন। পরিবারটির একটাই আকুতি সবার একটু সহায়তায় হয়তো বেঁচে যেতে পারে ছোট্ট ইয়ামিনের জীবন।

শিশু ইয়ামিনের চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহীরা নিচের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে পারেন—
বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৫৩৬-৪৮৮২১৯
ব্যাংক হিসাব: আফসানা আক্তার
সোনালী ব্যাংক, মাটিরাঙ্গা শাখা
হিসাব নম্বর: ৫৪১৭১০১০২৩৭৪৪

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন