পেকুয়ায় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা

fec-image

টানা ভারী বর্ষণে পেকুয়া উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় জনসাধারণের মাঝে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান।

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও মানবিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ এলাকা কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার নবগঠিত পেকুয়া সদর ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে (বলিরপাড়া, আবাসন প্রকল্প এবং মোরারপাড়া) শুকনা ও রান্না করা খাবার বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, তিনটি গ্রামে ৫০০ জনকে রান্না করা খাবার এবং ৫১০টি পরিবারের মাঝে ৫১০ প্যাকেট শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে চাল, আলু, ডাল, সয়াবিন তেল, চিড়া, পেঁয়াজ, গুড়, লবণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। এছাড়াও ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত এলাকায় বন্যা-পরবর্তী সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। বন্যা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) বন্যাদুর্গত মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন