নাইক্ষ্যংছড়িতে  ৩৫বছরের বিরোধের অবসান  

fec-image

১৯৮৬সাল থেকে এক পরিবারের সাথে অন্য পরিবারের মধ্যে জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এই সময়ের মধ্যে উভয় পরিবারে হয়েছে মামলা-হামলা।

দীর্ঘ ৩৫বছরের অভ্যন্তরীণ এমন বিরোধের অবসান করলেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন।

জানা গেছে, সম্প্রতি উভয় পরিবারের মধ্যে হামলা ও থানায় অভিযোগের ঘটনা ঘটে। এই প্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই বিরোধ মেটালেন চেয়ারম্যান আবছার।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ২৭০নং নাইক্ষ্যংছড়ি মৌজার দক্ষিণ বিছামারা এলাকার বাসিন্দা শামসুল আলম ও মরহুম মাস্টার ইউনুছের পরিবারের মধ্যে ১৬৬নং জি হোল্ডিং এর জায়গা ও সীমানার মালিকানা নিয়ে ১৯৮৬সাল থেকে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

এর জের ধরে প্রায় সময় দুই পরিবার হামলা, সহিংসতায় জড়িয়ে ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮জুন তাদের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এক একজন আহত হয়। ঘটনার জেরে পুলিশ আটক করে একজনকে।

কিন্তু এই বিরোধ আর সামনের দিকে যায়নি, থেমে গেছে বহু বছরের বিরোধ। শনিবার (২৭জুন) সরেজমিনে গিয়ে বিরোধপূর্ণ জমির নির্দিষ্ট সীমানা চিহ্নিত করে উভয় পরিবারকে বুঝিয়ে দেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার।

দীর্ঘকালের বিরোধ মিমাংসা প্রসঙ্গে তিনি জানান- উভয় পরিবার বহু বছর ধরে মামলা-হামলাসহ নানা বিরোধে জড়িত ছিল। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে।

চেয়ারম্যান আবছার আরেও জানান, সম্প্রতি ওই পরিবার পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন জায়গা জমির বিরোধটি তাকে মিমাংসার প্রস্তাব দেন।

সেই লক্ষ্যে প্রথমে উভয় পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের বিচার শেষ করি। আপোষ মিমাংসার সময় দুই পরিবারের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে দু’পক্ষের লোকজনের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে ও কুলাকুলি করানো হয়। এতে উভয় পরিবার আমাকে সহযোগিতা করেছেন। বিচারের পর ২৭ জুন তাদের দীর্ঘকালের জায়গার সীমানার বিষয়টিও নিষ্পতি করে দেওয়া হয়েছে। এতে দুই পরিবারই খুশি।

দীর্ঘকালের এমন বিরোধ মিমাংসার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আবছার স্থানীয় প্রশাসনসহ স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ৩৫বছরের, অবসান, নাইক্ষ্যংছড়িতে
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − 3 =

আরও পড়ুন