রাঙামাটিতে শীতের সবজির বাজার সেজেছে রঙিন সাজে

fec-image

রাঙামাটির বাজার গুলো শীতের সবজিতে ভরপুর। বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন সবজিতে বাজারগুলো যেন সেজেছে রঙিন সাজে।

জেলায় সবজির উৎপাদন এবং সরবরাহ বেশি থাকায় সকল প্রকার সবজির মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। এবার জেলায় সবজির ফলন ভালো হওয়ায় বাজারে শীতকালীন সবজির মূল্য কমতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি বাজার সরজমিনে ঘুরে এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সবজির সরবরাহ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৪০-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে নতুন আলু ২০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৪৫ টাকা, শীম ৪০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা পেঁয়াজ দেশি ৪৫-৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে প্রতি কেজি ২০ টাকা, দেশি টমেটো ৩০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও গাজর ৪০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শাকের আটি ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এবার জেলায় সবজি উৎপাদন ও সরবরাহ বেশি। যে কারণে প্রতিদিন সবজির দাম হ্রাস পাচ্ছে। সরবরাহ ও আমদানি কমে গেলে সবজির বাজারদর বাড়তে পারে। বর্তমানে সবজির মূল্য সাধারণ মানুষেরে নাগালের মধ্যে রয়েছে।

বাজারে আসা ক্রেতা বলছেন, এখন শীতের সবজির মূল্য নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যে রয়েছে। আমরা চাই পুরো শীতকাল জুড়েই শীতের সবজির মূল্য এমন থাকুক।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, রাঙামাটি জেলায় মোট ৪ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ হয়। এতে প্রায় ১লক্ষ মেক্ট্রিক টন সবজি উৎপাদন হচ্ছে । আরও ৮ হাজার ৭ শত হেক্টর জমি সবজি চাষের উপযোগী যা এখনো অনাবাদি রয়েগেছে। শীতকালে এ জমিতে সবজি চাষ করতে গেলে সেচের প্রয়োজন পড়ে, পর্যপ্ত পানির অভাবে এসমস্ত জমি চাষে আওতায় আনা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যেমে এ অনাবাদি জমি সবজি চাষের আওতায় আনা গেলে জেলায় সবজির চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাহিরেও বিক্রয় করা যাবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six − 5 =

আরও পড়ুন