রামুতে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে আ’লীগ নেতা ইউনুছ ভুট্টো

pic- 01 copy

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ি সিকদার পাড়া ও চর পাড়ার বিশাল ঘুরার চর নদী ভাঙন, বেড়িবাঁধ ও ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেছেন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা, সমাজ সেবক ইউনুচ ভূট্টো।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে তিনি সরজমিন পরিদর্শন করে বন্যা দূর্গতদের খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি ভাঙন পরিদর্শনে গেলে এলাকার শত শত মানুষ তাকে স্বাগত জানান।

এসময় তিনি আনুমানিক ২ হাজার ফুট বাঁকখালী তীরবর্তী ভাঙন এলাকা, চরপাড়া বেড়িবাঁধ পরিদর্শনসহ চরপাড়া, সিকদার পাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত ৬০টি পরিবারের মানুষের সাথে কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, ভয়াবহ বন্যায় সিকদার পাড়া ও চরপাড়ার ২ হাজার ফুট নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙন ধরে ৫০ কানি ফসলি জমি এবং ৬০টি বাড়ি বিলিন হয়ে গেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সিকদার পাড়া ও চরপাড়ার অর্ধেক এলাকার প্রচুর ঘর বাড়ি, ফসলি জমি, মসদিজ, মাদ্রাসা, কবর স্থান, মন্দির, গির্জা নতুন করে বিলিন হয়ে যাবে। এজন্য তিনি কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল ও রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এছাড়া সিকদার পাড়া, চর পাড়ার মধ্যকালে নদীর তীরবর্তী বিশাল ঘুরাচর নামক স্থানে প্রায় ৫০ কানি ফসলি জমি এ বছর বন্যায় নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। যাদের ঘর বিলিন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা হল বজল আহমদ, শহিদুল্লাহ, গুল পরাজ, মো. কামাল, হাবিবুল্লাহ, আবুল হোসেন, মনির আহমদ, মো. মোক্তার, মোহাম্মদ, জাকের, রহিম, ফরিদুল আলম, আবু তাহের, এখলাছ, জরিনা, নুরুল আলম, ছরুত আলম, আলী হোসেন, মো. বশির, ফজল আহমদ, শাহ আলম, সুলতান আহমদ, রহিম উল্লাহ, বাদশা মিয়া, নুরুল হাকিম, নুরুল আজিম, নবী আলম ও খোকন।

এছাড়া সিকদার পাড়া ও চরপাড়া ২টি মসজিদ ও কবর স্থান এবং ১টি মন্দির ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিকদার পাড়া ও চর পাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, চোখের সামনে শত শত ঘর-বাড়ি নদীতে ভেসে গেল। আমরা অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে কোন রকম বেঁচে আছি। বসতভিটা ও জমি-জমা হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বড় অসহায় আমরা। ভাঙন ঠোকাতে এখনো কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment
আরও পড়ুন