রূপচর্চায় মুগডালের ব্যবহার

fec-image

প্রোটিনের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় মুগডাল উপকারী ভূমিকা পালন করে। রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে রূপচর্চায় মুগডাল ব্যবহারের পন্থা ও উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হল।

ফেইস প্যাক: যাদের ত্বক শুষ্ক ও নির্জীব তাদের ত্বকে মুগডালের মাস্ক খুব ভালো কাজ করে। এক মুঠ মুগডাল কাঁচা দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে তা বেটে নিন।

পরিষ্কার মুখে পেস্টটি মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে নিন ও হালকা চাপ দিয়ে মুছে নিন। কয়েকবার ব্যবহারে ত্বক মসৃণ ও কোমল হবে।

ব্রণ প্রবণ ত্বকে: যাদের ত্বকে ব্রণ ও ‘ব্রেক আউট’য়ের সমস্যা আছে তাদের জন্যও মুগডাল খুব ভালো কাজ করে।

এক মুঠ মুগডাল সারা রাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন পেস্ট করে নিন। এর সঙ্গে আধা চা-চামচ ঘি মিশিয়ে মুখে মাখুন। আলতোভাবে ত্বক মালিশ করুন। ১০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন।

রোদে পোড়াভাব দূর করতে: রোদে বাইরে গেলে ত্বকে দেখা দেয় পোড়াভাব। এই পোড়াভাব দূর করতে সারা রাত মুগডাল পানিতে ভিজিয়ে পরদিন সকালে পেস্ট করে নিন।

পেস্টের সঙ্গে টক দই বা অ্যালো ভেরার জেল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থান যেমন- হাত, পা, মুখে ব্যবহার করুন। পাঁচ থেকে দশ মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এটা রোদে পোড়াভাব দূর করার পাশাপাশি ত্বক মসৃণ ও কোমল রাখতে সহায়তা করে।

চুলের বৃদ্ধি: চুল পড়ার সমস্যা থাকলে অথবা চুল নির্জীব ও শুষ্ক হলে মুগডালের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

কিছু মুগডাল সিদ্ধ করে পেস্ট করে নিন। এতে ডিমের হলুদ অংশ, কয়েক ফোঁটা লেবু ও দই মেশান। প্যাকটি তৈরি করে চুলে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ব্যবহার করুন।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × 3 =

আরও পড়ুন