স্বাচ্ছন্দ্য বেড়েছে পাহাড়ের নারীদের


বিশ্বের উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশের নারীরা। সেক্ষেত্রে পার্বত্যাঞ্চলের নারীরাও সমতলের নারীদের সঙ্গে সমান তালে এগিয়ে চলছে। পাহাড়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশের অর্থনীতির ভিত আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। তবে সরকারের পাশাপাশি ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর সরকারী বেসরকারি উদ্যোগে নানামূখী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পাহাড়ের নারীদের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য বেড়েছে।
দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থার নানামুখী কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের বড় একটি জায়গাজুড়ে স্থান করে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এখানকার শিক্ষিত নারীরা। ‘স্কুটিতে নতুন গতি পাহাড়ের নারীদের’ শিরোনামে জাতীয় দৈনিক সমকাল পাহাড়ি নারীদের এমন একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে ধরেছে।
ওই প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা তাঁর মন্তব্যে বলেছেন, ‘জেলা পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আমি কর্মজীবী এবং দক্ষ ও শিক্ষিত নারীদের কর্মতৎপরতায় যুক্ত করতে সচেষ্ট আছি। আমার এই উদ্যোগের বড় অংশজুড়ে এখন থেকে প্রাধান্য পাবে নারী বাইকাররা।’
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, ভৌগোলিক বৈরিতা আর জীবন বাস্তবতায় পাহাড়ের নারীরা প্রতিনিয়তই সংগ্রামমুখর জীবনের মুখোমুখি হন। প্রান্ত থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত এই জীবনযাপনের রং ও মাত্রা ভিন্ন হলেও বিষয়টি প্রায় একই রকম। কিন্তু মাঠে-অফিসে, অংশীজনের দুয়ারে, প্রশাসনিক কাজে শহরে হোক আর তৃণমূলে স্থানীয় সরকারে– যেখানেই যাবেন, পথ তো বন্ধুর।
পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে বান্দরবান প্রায় পুরোটাই সুউচ্চ পাহাড়, রাঙামাটির অধিকাংশ পানিপথ আর খাগড়াছড়ি হলো পাহাড়ের মাঝে মাঝে সমতল জনপথ। চলাচলের সুবিধার্থে এই খাগড়াছড়িতেই সবার আগে শিক্ষিত এবং কর্মজীবী নারীরা পথে নামান নিজের বাহন স্কুটি। এখন শুধু বাইক হাঁকিয়ে স্বচ্ছন্দে পথচলা নয়, নিজেদের মধ্যে দারুণ যূথবদ্ধতাও তৈরি হয়েছে নারীদের। দুটি অনলাইন গ্রুপ গড়ে তোলে দূরদূরান্তে ভ্রমণের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমও পরিচালনা করছেন তারা।















