হ্নীলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করায় নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

fec-image

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ টেকনাফ উপজেলা শাখা কর্তৃক হ্নীলা ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করায় বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে। পরে পুলিশ-র‌্যাব এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলতান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুন্না স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জরুরী সভার সিদ্ধান্তের আলোকে হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে। তখনই হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রফিক গ্রুপের লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের হ্নীলা বাসষ্টেশনের চৌরাস্তা মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।

এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের বিশেষ টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

এই ব্যাপারে বিলুপ্তকৃত হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রফিক বলেন, আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর হতে গ্রুপিং রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন এবং সবশেষ ইউপি নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের সাইন বোর্ড লাগানো মাফিয়া গডফাদারেরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিষয়টি আমি আঁচ করতে পেরে জেলা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে লিখিতভাবে অবহিত করেছিলাম। সুতরাং উপর মহল থেকে কোন সিদ্ধান্ত না আসার পূর্বেই এই ধরনের এক গুয়েমী সিদ্ধান্ত আমি মানিনা।

ভাই লীগের আদলে গড়া ছাত্রলীগ নামধারী নৌকা প্রতীক বিরোধী চক্র মিলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই কমিটি বিলুপ্ত করে তাদের শক্তি ও ক্ষমতার মহড়া দেখিয়েছে। যারা এই কমিটি বিলুপ্ত করেছে তাদের কে কে গোপনে কোন কোন অপরাধে সংশ্লিষ্ট তা তদন্ত করে দেখার জন্য সর্বস্তরের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

এতে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন-হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ইতিহাসে রফিক এর কমিটিতে সবচেয়ে সাংগঠনিক কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। এতে কিছু সিন্ডিকেট কর্মী নামধারি টাকার লীলাখেলায় প্রকৃত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক মো: রফিকের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা আরো বলেন-এরকম হলে আমরা মেয়াদোত্তীর্ণ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত চাই। আমরা চাই প্রকৃত ত্যাগী তৃনমূল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি হোক। এতে সাংগঠনিক কর্মকান্ড আরো বৃদ্ধি পাবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventeen − 3 =

আরও পড়ুন