আইসিসি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করলো মিয়ানমার


জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৬২তম অধিবেশনে গৃহীত মিয়ানমার বিষয়ক প্রস্তাব এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের প্রতিবেদনকে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১০ জুলাই এক বিবৃতিতে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সামরিক সরকারের দাবি, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) উত্থাপিত ও গৃহীত প্রস্তাবে নিরাপত্তা বাহিনী এবং ঘৃণাত্মক বক্তব্য (হেট স্পিচ) সম্পর্কিত যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
‘বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিল নেই’—সামরিক সরকারের দাবি
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের প্রতিবেদন সম্পর্কে সামরিক সরকার বলেছে, এতে চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, যা তাদের কাছে হতাশাজনক।
রাখাইন ইস্যুতে AA-কে দায়ী করার অভিযোগ
সামরিক সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চল থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষদের ফিরিয়ে নিতে তারা প্রস্তুত। তবে Arakan Army (AA)-এর হামলার কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।
নিজস্ব পথেই এগোনোর ঘোষণা
দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য তারা নিজেদের নির্ধারিত কর্মপদ্ধতিতেই এগিয়ে যাবে এবং কোনো একটি দেশকে লক্ষ্য করে জাতিসংঘে বিশেষ প্রস্তাব বা আলোচনা আনার বিরোধিতা করে বলেও জানিয়েছে।
নির্বাচন ও শান্তি উদ্যোগের প্রসঙ্গ
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সামরিক সরকার নির্বাচন আয়োজন, নতুন সংসদ ও সরকার গঠন, শান্তি আলোচনার আহ্বান এবং কিছু PDF সদস্যের আত্মসমর্পণের ঘটনাও তুলে ধরেছে।
এছাড়া, জাতিসংঘের ওই অধিবেশনে যেসব বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ তাদের অবস্থানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে, তাদের প্রতিও সামরিক সরকার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
সূত্র : সামরিক সরকারের প্রকাশিত বিবৃতির বাংলা অনুবাদ। এতে উল্লিখিত দাবিগুলো তাদের নিজস্ব বক্তব্য।
















