ওমানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সাদামাটা জয়

fec-image

ওমানের বিপক্ষে একপেশে একটা জয় প্রত্যাশা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। সেই জয়টা অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে। তবে সেটা এতটাও সহজে পায়নি। ওমানকে হারাতে অজিদের খেলতে হয়েছে ৪০ ওভারের পুরোটাই। শুরুর দিকে ধীরগতির ব্যাটিং, পরে বোলিং ইনিংসে খুব বেশি ধারাল বোলিং না পাওয়া। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মিচেল মার্শদের জয়টা ঠিক ‘অস্ট্রেলিয়া-সুলভ’ হলো না। বরং দেখে মনে হতেই পারে, পুঁচকে ওমান বুঝি অজিদের নার্ভেরই পরীক্ষা নিয়েছে।

বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নার এবং মার্কাস স্টয়নিসের জোড়া ফিফটির সুবাদে ওমানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া তুলল ১৬৪ রান। এবারের বিশ্বকাপে শুরু থেকেই স্লো-পিচ নিয়ে ছিল অভিযোগ। অজিদের আজকের ব্যাটিংও সেদিকেই ইঙ্গিত করবে। তবে মূলত ওয়ার্নারের কারণেই ছিটকে পড়তে হয়েছিল তাদের। স্টয়নিস রান তুলেছেন ১৮০ এর বেশি স্ট্রাইক রেটে।

বোলিং করতে নেমেও আগ্রাসী স্টয়নিস। ফিফটির পর বল হাতে শিকার করেছেন ৩ উইকেট। ওমানের টপ অর্ডার ধসে না পড়লে এই ম্যাচেও হয়ত দেখা যেতে পারত প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবে শেষ পর্যন্ত এশিয়ান দেশটি থেমেছে ১২৫ রানে। ৩৯ রানের সাদামাটা এক জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হলো ২০২১ এর চ্যাম্পিয়নদের।

আগে ব্যাট করতে নেমে অজিদের স্বপ্নের ট্রাভিস হেড-ডেভিড ওয়ার্নার জুটি দলকে বিশেষ কিছু এনে দিতে পারেনি। হেড আউট হয়েছেন মোটে ১২ রান করে। তিনে নামা অধিনায়ক মিচেল মার্শও উপহার দিলেন ধীরগতির ব্যাটিং। পাওয়ারপ্লেতে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় মোটে ৩৭। এমনকি অজি দুই ব্যাটার ওয়ার্নার এবং মার্শ এতই ধীরে খেলেছেন, ৮ম থেকে ১২ তম ওভার পর্যন্ত টানা ৩০ বলে ছিল না কোন বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারির মার।

মিচেল মার্শ ২১ বলে ১৪ করে আউট হলে ক্রিজে আসেন ম্যাক্সওয়েল। আইপিএলের বাজে ফর্ম বিশ্বকাপেও ধরে রেখেছেন তিনি। মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। ৫০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর ক্রিজে স্টয়নিস। এখান থেকেই মূলত অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে গতি আসে। ওমানের বোলারদের রীতিমত শাসন করেছিলেন এই অলরাউন্ডার। তার ৩৬ বলে ৬৭ রানের ইনিংসটা মোড় ঘোরায় অজি ইনিংসের। শেষ পর্যন্ত তাদের স্কোর যায় ১৬৪ পর্যন্ত। স্টয়নিস ছাড়াও ফিফটি আছে ওয়ার্নারের। ৫১ বলে করেছিলেন ৫৬ রান।

বল করতে নেমে দারুণ শুরু হয় অজিদের। ইনিংসের তৃতীয় বলেই প্রতীক আতাভালেকে এলবিডব্লিউতে ফেরান স্টার্ক। কশ্যপ প্রজাপতি ফেরেন নাথান এলিসের বলে। ২৯ রানে আকিব ইলিয়াস এবং ৩৪ রানে জিশান মাকসুদ আউট হলে, প্রায় ভেঙ্গেই পড়ে যায় ওমানের ব্যাটিং আউনআপ। মেহরান খানকে নিয়ে লড়াই চালান আয়ান খান। ৮৯ রানে এসে তাদের জুটি ভাঙ্গলেও মান বাঁচানোর মতো স্কোর ততক্ষণে পেয়ে যায় অজিরা।

আয়ানের ৩৬ এবং মেহরানের ২৭ রানের পর ওমানের আর কেউই সুবিধা করতে পারেননি। স্টয়নিস ৩ উইকেট নিয়ে মূল কাজ শেষ করে। দুইটি করে উইকেট নেন অ্যাডা

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন