খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উচ্চ শিক্ষাবৃত্তিতে বৈষম্যে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

পিবিসিপি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভুইয়া ও মহাসচিব এডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী এবং পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: সাব্বির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো: সারোয়ার জাহান খান -খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি বৈষম্য’র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে ,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উচ্চ শিক্ষাবৃত্তি তালিকা গতকাল প্রকাশ হয়। জেলা পরিষদের তালিকা থেকে জানা গেছে, দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিজনকে ৬ হাজার টাকা, স্নাতক ও অনার্স স্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু ৫ হাজার টাকা এবং কলেজ ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু ৪ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। সর্বমোট ২’শ ৯৭ জনের মধ্যে উপজাতি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ২’শ ৮ জন আর মাত্র ৮৯ জন বাঙালি শিক্ষার্থী। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে তথা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় উপজাতি জনসংখ্যা বসবাস করে ৪৮ শতাংশ আর বাঙালি জনসংখ্যা বসবাস করে ৫২ শতাংশ।  কিন্তু শিক্ষাবৃত্তি ক্ষেত্রে দেখা যায়, উপজাতি শিক্ষার্থীদেরকে দেওয়া হয়েছে ৭০ শতাংশ আর মাত্র ৩০ শতাংশ দেওয়া হয়েছে বাঙালি শিক্ষার্থীদেরকে ।

এই বৈষম্য’র তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায়, পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেন, দিন দিন শিক্ষা, চাকুরি, ব্যবসা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে বৈষম্য করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদেরকে তৃতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করা হচ্ছে। অবিলম্বে শিক্ষা, চাকুরি, ব্যবসা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে জনসংখ্যানুপাতে বন্টনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এই জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ ও দেশের সকল বাঙালিদেরকে সাথে নিয়ে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ কঠোর আন্দোলনের ডাক দিবে বলে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন ।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment
আরও পড়ুন