নানিয়ারচরে অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে গোল কাঠ


রাঙামাটির নানিয়ারচরে অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত পানি পথে পাচার হচ্ছে গোল কাঠ। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায়শই আটক হচ্ছে সেগুন, গামার, গর্জন, চামালিশসহ বিভিন্ন ধরনের দামি কাঠ। মূলত সড়ক পথে সেনা চেক পয়েন্ট থাকায় পানি পথে কাঠ পাচারের বিকল্প রাস্তা বের করেছে একটি চক্র।
শনিবার (২০ আগস্ট) বিকালে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৪০ ঘনফুট গোল কাঠ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫০ হাজার টাকা।
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোপন তথ্যর ভিত্তিতে উপজেলার বুড়িঘাট সেনা ক্যাম্পের একটি টিম বুড়িঘাট ইউনিয়নে হাতিমারা এলাকায় অভিযান চালায়। এতে গর্জন ও বিভিন্ন জাতের মোট ৪০ ঘনফুট গোল কাঠ অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় জব্দ করে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া এসব গোল কাঠ বুড়িঘাট বন বিভাগে কর্তব্যরত রেঞ্জ অফিসার চন্দন দাশের এর নিকট হস্তান্তর করা হয়।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, জুম্ম নিয়ন্ত্রণ বিভাগ থেকে সংগৃহীত একটি পারমিটের আলোকে গোল কাঠভর্তি একটি ট্রলার অবৈধভাবে গাছ পাচারের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরেস্টার ও নানিয়ারচর জোনের ইন্ট্রেলিজেন্ট ফোর্সের সহযোগিতায় গাছ বোঝাই ট্রলারকে চেক করার সময় কাগজপত্রে গড়মিল পাওয়ায় সেটিকে আটক করে বুড়িঘাট অফিসে নিয়ে আসেন। এসময় ওই পারমিট বাহককে উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হলেও তারা কেউই আসেনি বলে জানিয়েছেন ফরেস্টার চন্দন। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জব্দ কাঠগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ।

















