পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক কে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক দ্রব্য আইনে ২ বছরের কারাদন্ড
নিজস্ব প্রতিনিধি, পেকুয়া:
মাদক দ্রব্য আইনে পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন কে দু বছরের কারাদন্ড দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানায় গত ৫ জুলাই দুপুর ২ টায় পেকুয়া চৌমুহুনীস্থ একটি স্বর্ণদোকান থেকে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (প্রশাসন) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল সঙ্গী ফোর্স এসে উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা আলী হোসেন (২৭) কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
থানা সূত্রে জানায় পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) এম এ হক ও এস আই রেজাউল করিম চৌধূরী ধৃত যুবলীগ নেতাকে গাজাসহ উপজেলা নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রষ্ট আদালতে হাজির করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রষ্ট মীর শওকত হোসেন ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মাদক দ্রব্য আইনে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেলে হাজতে প্রেরণ করেন। সে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের হরিণাফাড়ি এলাকার জহিরুল ইসলামের পুত্র বলে জানা গেছে। সাজা দেওয়ার পর পরই বরইতলী মগনামা সড়কের পেকুয়া চৌমুহনী স্টেশনে গাছ ফেলে সড়কে ব্যরিকেড দেয়।
এসময় দোকান পাট বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা দিক বেদিক ছুড়তে থাকে। পরে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মীর শওকত হোসেন ও পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) এম এ হক নেতৃত্বে সঙ্গী ফোর্স এসে ব্যরিকেডকারীদের কে ধাওয়া দেয়। এসময় উত্তেজিতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুটে। পরে পুলিশ লাঠি চার্জ করে তাদের ছত্র ভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এদিকে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা আলী হোসেন কে অন্যায়ভাবে আটক করে অমানবিক ভাবে নির্যাতন চালিয়ে তার পকেটে গাজা দিয়ে সাজা দিয়েছে থানা প্রশাসন। এদিকে আলী হোসেনের পরিবার দাবী করেন যুবলীগ নেতা আলী হোসেনকে ওসি থানায় নিয়ে হাজত খানায় আটকে রেখে হা-পা রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এতে গুরুতর আহত হন আলী হোসেন। এসময় কিছু গাঁজা দিয়ে আলী হোসেনকে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। আর নির্বাহী হাকিম মীর শওকত হোসেন পুলিশের পক্ষাবলম্বন করে প্রভাবিত হয়ে নিরাপরাধ আলী হোসেনকে অমানবিকভাবে ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
এদিকে যুবলীগের নেতাকর্মীরা পেকুয়া থানার ওসি হাবিবের শাস্তিসহ থানা থেকে জরুরী প্রত্যাহার দাবী করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে অভিযান চালালে তার কাছ থেকে গাঁজা পাওয়া যাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর বরাবর সোপর্দ করলে তিনি নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট সাজা প্রদান করেন। তার সাজার ব্যাপারে থানার কোন হাত নাই।



















