বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও টিএন্ডটি সংযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার পরপর বৃহস্পতিবার রাতে বান্দরবান-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে প্রায় ৯ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে গাছের গুড়ি এবং টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। গভীর রাতে বান্দরবান-কেরানীরহাটের সড়কের চেয়ারম্যান পাড়া এলাকায় রাস্তার বিভিন্ন অংশ খুন্তা, শাবল, কোদাল দিয়ে খুড়ে ফেলার চেষ্টা এবং এই সড়কে কয়েকটি ব্রিজ ভাঙার চেষ্টা করে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা। তবে রাতে বিজিবি অভিযানের মুখে অবরোধকারীরা পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরের পর পর বান্দরবান-কেরানীরহাট সড়কের কলঘর, বাজালিয়া, বুড়ির দোকান দৈস্তিদ এলাকায়সহ প্রধান সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বান্দরবান-কেরানীরহাট ৯ কিলোমিটার সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে, টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় তারা লাঠি-সোটা এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা কেরানীরহাট এলাকায় সড়কের কয়েকটি স্থানে কোদাল, খুন্তা ও সবাল দিয়ে রাস্তা খুড়তে থাকে ও কয়েকটি সেতু ভাঙ্গার চেষ্টা চালায় এবং টিন্ডটি ক্যাবল তার কেটে বিচ্ছন্ন করে দেয়। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী বিজিবি বাইতুল ইজ্জত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে থেকে বিজিবির সদস্যরা গেলে নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়।
গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। টহলের পাশাপাশি বাইতুল ইজ্জত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মেজর মোস্তাকের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সড়ক থেকে গাছের গুড়ি সরিয়ে নেয়ার কাজ করতে দেখা গেছে। দুপুরের পর এই ৯ কিলোমিটার সড়কের গাছের গুড়ি সরিয়ে ফেলা হালকা যানবাহন চলাচল করে। তবে এসব এলাকায় ভাংচুর ও যানবাহনে অগ্নি সংযোগ করার আতঙ্কে ভারি কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি ।



















