ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স ১৭ করার বিষয়ে যা বললেন ইসি সানাউল্লাহ

fec-image

ভোটারে সর্বনিম্ন বয়স ১৭ করার বিষয়ে কমিশন কি ভাবছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ১৭ বছর বয়সে ভোটার নিয়ে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন। আমরা শুনেছি সেটা।

তিনি আরও বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদি ভবিষ্যতে এটা রাজনৈতিক কোনো মতৈক্য হয়, কোন সিদ্ধান্ত আছে যদি সংবিধানে পরিবর্তন আসে আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।

ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত এক সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রস্তাব করেছেন বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স এক বছর কমিয়ে ১৭ নির্ধারণ করা উচিত।

সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, এসময় ভোটারের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নের ঊর্ধ্বে রাখতে টোটাল ভোটার তালিকা যাচাই করা হবে।তবে যাচাইকৃত ১২ কোটি ভোটারের তথ্য প্রকাশ করা হবে না। শুধু মাত্র হালনাগাদে যেই ১৮ লাখ যুক্ত হয়েছে তাদের তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

২০০৯ সাল থেকে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের তথ্য যাচাই করবেন কিনা এমন প্রশ্নে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, পুরো ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ১২ কোটিরই ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। এ বছর যেটা হালনাগাদ হচ্ছে, সেটা যদি কেউ দেখতে চায় সেটাও হবে এবং পূর্বেরটাও হবে। পুরো ভোটার তালিকাই প্রকাশিত হবে। তবে পুরো ভোটার তালিকা থাকবে আমাদের হাতে। আর ১৮ লাখ ভোটারের তালিকা থাকবে প্রকাশিত।

প্রত্যেকের তথ্য হালনাগাদ হবে কিনা নাকি যাদের তথ্য নতুন করে যুক্ত হয়েছে তাদের তথ্য হালনাগাদ হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনারা বলেছেন অতীতে বিতর্কিত ভোটার তালিকা হয়েছে। এখন কোন বছরের তালিকায় বিতর্ক আছে এটা তো আমরা জানি না। আমরা যদি পুরো তালিকা যাচাই না করি তাহলে কি বের করতে পারবো? যাদের বয়স গতকাল ১৮ বছর হয়ে গেছে, তারা যদি তালিকাভুক্ত না হয়ে থাকেন কিন্তু আমাদের এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তালিকাভুক্ত হন তারা ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া এই বছর ১৮ বছর বয়সে প্রাপ্ত হবেন, তারা ভোট দিতে পারবেন কিনা এটা আইনি ব্যাপার।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটার তালিকা আইন ধারা-৩ এর জ অনুযায়ী ভোটার হওয়ার যোগ্যতার তারিখ হচ্ছে পহেলা জানুয়ারি। এইটা যদি করতে হয়, তাহলে আইন পরিবর্তন করতে হবে। আইন পরিবর্তন করবো কিনা সেটা আমরা ভাবছি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন