মাত্র ২ কিলোমিটার সড়কে ২ হাজার গর্ত, দুর্ভোগে লাখো মানুষ


বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে চলাচলকারী একটি ব্যস্ত ২ কিলোমিটার সড়কে ২ হাজার গর্তের কারণে দুর্ভোগ চরমে পড়েছে লাখ মানুষ। ২ বছর ধরে এ অবস্থা চললেও কতৃপক্ষ তা দেখেও দেখছেন না। আর এ সড়কটি তত্ত্বাবধান করেন রামু এলজিইডি।
সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা জানান, এটি রামু উপজেলার গর্জনিয়া বাজার সংযোগ সড়ক। সড়কটি রামু উপজেলাধীন হলেও এটি শেষ হয় মিয়ানমান সীমান্তে গিয়ে। মাঝখানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা। আবারো রামুর অংশ। যেটি গিয়ে সংযুক্ত হয় গর্জনিয়া বাজার। যা এ উপজেলার সংযোগ সড়কও বলা হয়। এ অংশটি মাত্র ২ কিলোমিটার।
সূত্র আরো জানান, সড়কটি নাইক্ষ্যংছড়ি থানা ঘেঁষে খাল থেকে গর্জনিয়া বাজার ঠেকছে। এ ২ কি.মি. অংশে অন্তত ২ হাজারাধিক বড়বড় গর্ত। আর ছোট গর্ত রয়েছে আরো ১ হাজারাধিক। দিনদিন এ গত বাড়ছে।
এই দূরবস্থায় রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৪ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। যাদের মধ্যে রয়েছে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী, উপজেলা ও জেলাগামী অফিস-আদালতগামী লোকজনসহ লাখ মানুষ।
স্থানীয় লোকজন আরো জানান, এ সড়ক বেয়ে উপজেলাদ্বয়ের পূর্বাংশের ৩ হাট-বাজার ও সীমান্তের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্যে সড়কটির গুরুত্ব অত্যাধিক।
এছাড়া কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া ও ব্যবসার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না এখনও।
এলজিইডির পক্ষ থেকে সড়কটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়নি এমন দূরবস্থা পতিত হওয়ার পরও। অথচ তারা এ সড়ক দিয়ে নিয়মিত আসা-যাওয়া করে থাকেন।
অথচ ব্যবসাসহ নানা প্রয়োজনে মালবাহী ট্রাক এর ওপর দিয়ে চলাচল করছে এসড়ক দিয়ে। মূলত কক্সবাজার ও বান্দরবানের দক্ষিণ পুর্বাংশের সীমান্তবাসীর একমাত্র বড় সাপ্তাহিক হাট-বাজার এ গর্জনিয়া বাজার। যেখানে হাটের দিন অন্তত ২০ হাজার মানুষ ক্রয়-বিক্রয় করতে আসে। যাদের বড় একটি অংশ এ বেইলি সড়কটি ব্যবহার করে।
রামু উপজেলা প্রকৌশলী মঞ্জুর হাসান চৌধুরী বলেন, মূলত ব্রিজটি সংস্কারের কেন বরাদ্দ এই মুর্হূতে আমাদের নেই। তবে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পরিচালক তাকে জানিয়েছেন, বাজার প্রশস্তকরণের কাজ শেষে এ ব্রীজের কাজ করা হবে। এর আগে আর কোন সংস্কার করার পরিকল্পনা তাদের নেই।

















