পার্বত্য বাঙ্গালীদের বিক্ষোভের দাবানল
মোঃ আবদুর রউফ॥
সর্বক্ষেত্রে বাঙ্গালীদের সাংবিধানিক অধিকার দিতে হবে। দীঘিনালা উপজেলায় বিজিবি ক্যাম্পের উপর পাহাড়ীদের সশস্ত্র হামলা ও অস্ত্র লুট, জেলার উপজেলাগুলোতে অসহায় বাঙ্গালীদের অপহরণ, গুম, হত্যাসহ নির্মম ভাবে অত্যাচারের প্রতিবাদে অগ্নিশিখার ন্যায় ক্ষেপে উঠেছে সর্বস্তরের পার্বত্য বাঙ্গালী জনতা।
পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সমাবেশের আয়োজন করে। বিক্ষোভে সর্বস্তরের বাঙালীদের অংশ গ্রহণ ছিল চোঁখে পড়ার মত। এ যেন তfজা বুকে আটকে রাখা দীর্ঘ দিনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অগ্নিশিখা। বিক্ষোভ সমাবেশে এক একজন বক্তার মুখ দিয়ে যেন বের হচ্ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক একটি আগুনের ফুলকা।
পাহাড়ে বসবাসরত সবাই (পাহাড়ী-বাঙ্গালী) শান্তিতে বসবাস করতে চায়। এর জন্য সবাই চেষ্টা, সাধনাও করছে ব্যাপক ভাবে কিন্তু বাঁধসারলো পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী কৃত কর্মে তারা পাহাড়ে বাঙ্গালীদের উপস্থিতি চাকরী-বাকরী, চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া যেন একদম সহ্য করতে পারে না। এমনকি পাহাড়ের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বিজিবি এদের উপস্থিতিও তারা সহ্য করতে পারে না। তারা কেন এমন দেশদ্রোহীতা করছে তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।
কিছুদিন আগে দীঘিনালায় পাহাড়ী স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বিজিবি ক্যাম্পে হামলা চালায় এতে অনেকে আহত হয় এবং পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা বিজিবির অস্ত্রও লুট করে নিয়ে যায়। অনেক নির্মাণ সামগ্রী, খাদ্য রসদ নষ্ট করে ফেলে এমনকি রান্নাকৃত খাবারও তারা নষ্ট করে ফেলে দেয়। তারা বলে “এখনে বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন করতে দেওয়া হবে না”। যেখানে সীমান্ত বর্ডার সেখানে যদি সীমান্তরক্ষী না থাকে তাহলে সীমানা মুছে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তরা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তির জন্য সেনাক্যাম্প স্থাপনের বিকল্প নেই। প্রত্যাহারকৃত সমস্ত সেনাক্যাম্প, পুনঃরায় স্থাপন করতে হবে এবং প্রত্যেকটি বর্ডার পয়েন্টে বিজিবির শক্তি দ্বিগুন করতে হবে। তাহলে এসব পাহাড়ী স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মাথা গোজার ঠাইও পাবে না। পাহাড়ে এসব স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালানোর জন্যও তারা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানান।



















