কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধিতে বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন


টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বেড়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। পানি বাড়ায় যেকোনো মুহূর্তে ডুবে যেতে পারে রাঙামাটির সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে গেলে দেখা গেছে, হ্রদের পানি ঝুলন্ত সেতুর পাঠাতন ছুঁয়েছে। অর্থাৎ যেকোনো সময় ডুবে যেতে পারে ঝুলন্ত সেতুটি।
পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী, মাইনী, রাঙামাটির বাঘাইছড়ির কাচালং নদী এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপত্তি হওয়া কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশেছে। টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে গত এক সপ্তাহ ধরে হ্রদের পানি বাড়ছে।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, হ্রদে যেভাবে পানি বাড়ছে যেকোন মুহূর্তে ডুবে যেতে পারে ঝুলন্ত সেতু। বর্তমানে হ্রদের পানি সেতুর পাঠাতন ছুঁয়েছে। সেতু ডুবে গেলে পর্যটক পারাপার নিষিদ্ধ করা হবে।
কাপ্তাইয়ে পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ২৪ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। কাপ্তাই হ্রদে পানির সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ১০৮ ফুট মীনস সি লেভেল। রুলকার্ভ অনুযায়ী এসময় হ্রদে পানি থাকার কথা ৮৮ দশমিক ৩১ মিনস সি লেভেল।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বলেন, হ্রদে পানি বাড়ায় কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বেড়েছে। মঙ্গলবার ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সোমবার বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ২১৯ মেগাওয়াট। কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই সচল রয়েছে। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২৩০ থেকে ২৪৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানি আছে ১০৫ দশমিক ২৪ ফুট মিনস সি লেভেল। ১০৮ ফুট মিনস সি লেভেল অতিক্রম করলে খুলে দেয়া হবে ১৬ জলকপাট।

















