ঈদগাঁওয়ে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, ঘাতকসহ আটক ৩


কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন হয়েছে। এ ঘটনায় জনতা ঘাতক ও তার মা -বোনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ লরাবাগ এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদ (১৭) উক্ত এলাকার আবুল কালামের ছেলে এবং ঘাতক শামিম (১৮)ও একই এলাকার মোহাম্মদ সিদ্দিকের ছেলে।
স্থানীয় চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানান, হামিদ ও শামিম দুজন প্রতিবেশী ও বন্ধু।হামিদ পেশায় মোবাইল মেকার এবং শামিম টমটম চালক।কিছুদিন আগে শামিম হামিদের কাছে থেকে একটি মোবাইল ঠিক করে নির্ধারিত টাকা না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকে। ঘটনার দিন সকালে শামিমের ঘরের নিকটে তার সাক্ষাৎ পেলে পাওনা টাকা চাই হামিদ। এ নিয়ে দুজনের বাকবিতন্ডার শব্দ পেয়ে পাশের ঘর থেকে শামিমের মা-বোনও এগিয়ে এসে হামিদকে টানা হেঁচড়া করে। এক পর্যায়ে শামিম আচমকা হামিদকে পেটের এক পাশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।প্রতিবেশীদের চিৎকারে এলাকার লোকজন ধাওয়া করে ঘাতককে আটক ও তার মা-বোনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতকদের থানা পুলিশের হেফাজতে দেন ।
চেয়ারম্যান আরো জানান, ঘটনার পরপর লোকজন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ অবস্থায় হামিদকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।তুচ্ছ ঘটনার জেরে এ প্রথম এলাকায় মর্মান্তিক খুনের ঘটনায় লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনার পর পর সংবাদ পেয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এ টি এম সিফাতুল মাজদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ও ঘটনায় জড়িত মা-বোনকে আটক ও ব্যবহৃত ছুরা উদ্ধার করেন বলে জানান।রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের লাশ মর্গে রয়েছে।
তুচ্ছ ঘটনার জেরে এ প্রথম এলাকায় খুনের ঘটনায় লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।
















