গুইমারার মারমা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমা আটক

fec-image

খাগড়াছড়ির গুইমারায় এক নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাম থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগীর প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী অভিযুক্তদের একজন অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে আটক করেছে।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার ভুক্তভোগীকে (৩০) বড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দা ম্রাচাই মারমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রাম নিয়ে যায়। ওই রাতে তাকে হাটহাজারী এলাকায় নিয়ে একটি বাসায় ওঠেন ম্রাচাই মারমা। সেখানে চারজন মিলে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করা হয়।

ভুক্তভোগীর ছোটভাই বলেন, ম্রাচাই মারমা আমাদের পাশের গ্রামের বাসিন্দা। সে আমার বোনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রাম নিয়ে যায়। চাকরি না দিয়ে হাটহাজারীতে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করেছে। অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে আজ সকালে এলাকাবাসী আটক করেছে।

জানা যায়, ভুক্তভোগীর পরিবার প্রথমে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছিল। ঘটনার পরদিন ১৪ জুন ভুক্তভোগীকে গোপনে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে গতকাল ১৭ জুন সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সময়ে বিষয়টি জানাজানি হয়। বর্তমানে ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিপল বাপ্পি চাকমা বলেন, আজ হাসপাতালে ভুক্তভোগীর প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষা হয়েছে। শরীরের কোথাও জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

কুকিছড়া গ্রামের কারবারি চাইলাপ্রু মারমা বলেন, গতকাল ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ম্রাচাই মারমা গা ঢাকা দেন। আজ সকালে তাকে গ্রামের পাশ থেকে এলাকাবাসী ধরে এনেছে। আটক ম্রাচাইকে গুইমারা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: গুইমারা, ধর্ষণ, নারী
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন