কক্সবাজারে এখনো পানিবন্দী লাখো মানুষ, বৃষ্টি কমে আসছে

fec-image

বৃষ্টি কমে আসায় কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী এলাকায় এখনো লাখো মানুষ পানিবন্দী। দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এদিকে বন্যার পানিতে ভেসে রামু ও চকরিয়ায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাত থেকে বৃষ্টি কমে আসায় কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় এখনো তীব্র জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। এসব এলাকার লাখো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ সুপেয় পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ত্রাণ পর্যাপ্ত নয় এবং অনেক দুর্গম এলাকায় এখনো ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু ত্রাণ বিতরণ করা হলেও আটকে পড়া অনেক মানুষের কাছে তা পৌঁছাতে পারেনি। ফলে বহু পরিবার এখনো না খেয়ে বা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে বন্যার পানিতে ভেসে রামু উপজেলায় এক বৃদ্ধ এবং চকরিয়া উপজেলায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত নয় দিনে কক্সবাজারে পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে রোহিঙ্গা নারী ও শিশুসহ মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত নয় দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

জেলা প্রশাসনের দাবি, দুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: কক্সবাজার
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন