কাপ্তাই কেপিএম চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লান্টের রোলার চুরির হদিস মিলেনি


কাপ্তাইয়ের কেপিএম চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লান্টের লক্ষাধিক টাকার রোলার চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এক সাপ্তাহ হয়ে গেলেও খোয়া যাওয়া মালের কোন সন্ধান মিলেনি। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লি. কাপ্তাই চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লান্ট বন্ধ রয়েছে। উক্ত প্লান্টটি বন্ধ হওয়ার পর প্রশাসনের অবহেলা, নিরাপত্তা ও লোকবলের সংকটের ফলে একাধিকবার মিলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত শুক্রবার (১১ নভেম্বর ২২) অত্র চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লানেটর ৫টি মূল্যবান রোলার চুরি হয়ে যায়। ধারনা করা হচ্ছে এক একটি রোলারের ওজন প্রায় ১শ’ কেজিরমত। তবে এর মূল্য কেউ বলতে পারেনা। এমূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ায়, উদ্ধারের বিষয়ে প্রশাসনের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি।
কেপিএম সিবিএ সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লান্ট ইনচার্জ সালেহীন চৌধুরীর দায়িত্ব অবহেলার কারণে এ চুরি সংগঠিত হয়েছে।
এ বিষয়ে কাপ্তাই চিপিং এন্ড হ্যান্ডলিং প্লান্ট ইনচার্জ সালেহীন চৌধুরী চুরি যাওয়া ৫টি রোলালের ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে জানান, চুরি যাওয়া এক একটি রোলারের ওজন ৭০ থেকে ৮০কেজি হবে। গত বছরও অত্র প্লান্ট হতে ৬টি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করে। মিলটি বন্ধ হওয়ার দরুণ জনবল ও নিরাপত্তা সংকট দেখা দিয়েছে। এবং চুরির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) কেপিএম জিএম অপারেশন মইদুল ইসলাম জানান, যারা নিরাপত্তার দায়িত্ব কর্মরত ছিল তাদের অবহেলার কারণে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তদন্তপূর্বক দোষী সাব্যস্ত হলে ইনচার্জসহ নিরাপত্তাকর্মীর বেতন হতে চুরি যাওয়া মালামালের মূল্য কর্তন করা হবে বলে উল্লেখ করেন। চুরি যাওয়া ৫টি রোলারের মূল্য কত তা তিনি জানেন না। তবে এগুলো স্ক্রাব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

















