Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 56

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 58

বান্দরবানের থানছি-রুমা সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু

Bandarban pic copy

স্টাফ রিপোর্টার:
১২ দিন পর বান্দরবানের রুমা-থানছি সড়কে সিমিত আকারে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। শুক্রবার থেকে অাভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে হালকা যানবাহন চলাচলে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছেন ১৯ ইসিবি উপ-অধিনায়ক।

সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই থেকে টানা বর্ষণে জেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে বসন্তপাড়া নামক এলাকার প্রায় তিনশ মিটার সড়ক ধসে পড়লে থানচি-রুমা উপজেলার সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

সেনাবাহিনীর কৌশল শাখার ১৯ ইসিবি উপ-অধিনায়ক মেজর সাদেক মাহমুদ জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রুমা-থানচি সড়কের ৯ মাইল নামক স্থানে প্রায় ৩০০ মিটার সড়কে পাহাড় ভেঙে সম্পূর্ণ ধসে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সড়কের মাটি কেটে সরিয়ে সমান করে হালকা যানবাহন চলাচলের উপযুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে সড়কটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানান মেজর সাদেক মাহমুদ।

প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানায়, টানা ছয় সাতদিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে বান্দরবানের রুমা-থানছি সড়কের নয়মাইল নামকস্থানে পাহাড় ধসে প্রায় তিনশ’ মিটার সড়ক সম্পূর্ণ ধসে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার পর ধসে যাওয়া সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করেন সেনাবাহিনীর প্রকৌশল শাখা। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সড়কে ১২দিন বন্ধ থাকার পর শুক্রবার থেকে সাময়িকভাবে হালকা যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

থানচি উপজেলার চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা জানান, বৃষ্টিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কারের কাজ চলছে। দু’উপজেলার জনগণের ভোগান্তি কমে যাবে।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ১২ দিন পর্যন্ত পর্যটকরা নীলগিরি, চিম্বুক, জীবননগর এবং থানচির রেমাক্রী-নাফাখুমসহ দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণে যেতে পারেননি। তাদের যেতে আর বাঁধা নেই।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন