২ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে মেরংলোয়াবাসীর অষ্টম মিলনমেলা
খালেদ হোসেন টাপু, রামু :
প্রায়ই হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ খেলাগুলো নিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মেরংলোয়া গ্রামে শুরু হতে যাচ্ছে ৬ দিনব্যাপী গ্রামবাসীর মিলনমেলা। ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। এটি মেরংলোয়াবাসীর ৮ম মিলনমেলা।
৬ দিনব্যাপী এ আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ৭০ বছরের উর্দ্ধ পুরুষদের হাডুডু, রশি টানাটানি, বালিশ বদল, অন্ধের হাঁড়ি ভাঙ্গা এবং মহিলাদের জন্য মিউজিক্যাল চেয়ার, বালিশ বদল। এছাড়া মেরংলোয়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২ মার্চ থেকে ৬ মার্চ সকলের জন্য রয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা হাডুডু, বলী খেলা, তৈলাক্ত বাঁশে উঠা, অন্ধের হাঁড়ি ভাঙ্গা, রশি টানাটানি, মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা। ৭ মার্চ রামু রাবার বাগান রেস্ট হাউজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যাফেল ড্র ও মেজবানের মাধ্যমে শেষ হবে এ মিলনমেলা।
মেরংলোয়াবাসীর মিলনমেলা উদযাপন পরিষদের সমন্বয়কারী অধ্যাপক মো. ইজত উল্লাহ জানান, মেরংলোয়াবাসীর মিলনমেলাটি এখন মূলত রামুবাসীর মিলনমেলায় উন্নীত হয়েছে। প্রবাসী, এলাকার বাইরে চাকরী ও ব্যবসায়িক কারণে অবস্থানরত বাসিন্দারাও মেলা চলাকালীন স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য স্বপরিবারে মেরংলোয়ায় চলে আসে। সপ্তাহব্যাপী গোটা মেরংলোয়াই উৎসবমূখর থাকে। গ্রামের বৃদ্ধরা হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ খেলাগুলোতে অংশগ্রহণ করে তারা যেন তাদের অতীতে ফিরে যায়। যা সত্যিই আনন্দদায়ক।
এবারের মিলনমেলায়ও ৭০ উর্দ্ধ পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় গ্রামীণ খেলা। এ খেলায় অংশগ্রহণের আবশ্যকীয় শর্ত হল- মেজবান ও র্যাফেল কূপন সংগ্রহ। এছাড়া অতিদরিদ্র, বিধবা ও এতিমদের জন্য মেজবানে ফ্রি অংশগ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে মেজবান ও র্যাফেল কূপন সংগ্রহ করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন উদযাপন কমিটি।


















