চকরিয়ায় দূর্গম অঞ্চলে আলোর ঠিকানা শহীদ আব্দুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

fec-image

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ছিটমহল খ্যাত দূর্গম জনপদে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়ার একমাত্র পাঠশালা বমুবিলছড়ি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি আজ এতদাঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষা প্রসারে আলোকিত বাতিঘর হিসেবে পরিণত হয়েছে। তবে বিদ্যালয়টি সাফল্য ও অগ্রযাত্রায় এতদুর এগিয়ে আসার পেছনে রয়েছে এলাকার কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ও জমিদার শ্রেণির মানুষের কষ্ঠাজিত ইতিহাস।

যাদের কল্যাণে পাহাড়ি জনপদে এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের মধ্যে আছেন বমু পানিস্যাবিল এলাকার জমিদার হাজী মরহুম ছিদ্দিক আহমদ এবং শহীদ আবদুল হামিদের মেজভাই ব্যাংকার এজাহার হোছাইন। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার শুরুতে এই দুইজন সম্পত্তি দান করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নামে। তৎমধ্যে ছিদ্দিক আহমদ দিয়েছেন ৪০ শতক জমি ও ব্যাংকার এজাহার হোছাইন দিয়েছেন ২০ শতক জমি।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা পাহাড়ি জনপদের বমুবিলছড়ি ইউনিয়নকে আলোকিত করার অভিপ্রায়ে ১৯৯৭ সালে এলাকার কয়েকজন শিক্ষানুরাগীর সহযোগিতায় পানিস্যাবিল এবতেদায়ী মাদরাসা ভবনে সর্বপ্রথম বিদ্যালয়টির অগ্রযাত্রা শুরু করা হয়। সকালে মাদরাসার পাঠদান ও বেলা ১০টার পর থেকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা হতো। এভাবে সেখানে দুইবছরের অধিক সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম চলে। পরবর্তীতে আর্থিক দৈন্যদশা ও একাডেমিক ভবনের জায়গা সংকটসহ বিভিন্ন কারণে ১৯৯৯ সালের দিকে বিদ্যালয়টির স্থান পরিবর্তন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের স্থান পরিবর্তনে আছর লাগে রাজনীতির খেলাও। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষানুরাগী সদস্যরা ভিন্ন দলের রাজনীতি করার কারণে সেইসময়ের ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় মহল বিদ্যালয়টির অগ্রযাত্রার লাগাম টানতে পিছপা হননি। অবশ্য পরবর্তীতে রাজনৈতিক বিরোধীতা এবং জায়গা সংকটের অজুহাতে স্থান পরিবর্তন করে তাঁরা বিদ্যালয়টি বমুরকুল নামক স্থানে সরিয়ে নেয়। সেখানে সরিয়ে নেয়ার পর প্রায় দুইবছরের মতো বিদ্যালয়টির শিক্ষাক্রম সচল থাকলেও পরবর্তীতে ২০০১ সালের দিকে নানা কারণে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর একটানা ৯বছর বন্ধ থাকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম।

এলাকাবাসি জানায়, দুর্গম ইউনিয়নে শিক্ষার আলো ছড়ানো একমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি নানা কারণে বারবার বন্ধ হয়ে পড়ার ঘটনায় ২০০৯ সালে স্থানীয় বুমবিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে শিক্ষানুরাগী, সম্মানিত ব্যক্তি ও এলাকার সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এলাকার জমিদার আলহাজ ছিদ্দিক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, শহীদ আব্দুল হামিদের মেজভাই ব্যাংকার এজাহার হোছাইন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ আজিজুর রহমান কন্ট্রাক্টর, বর্তমান লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শহীদ আবদুল হামিদের ভাতিজা মোস্তাফা জামান, স্থানীয় বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতলব, বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সোলতান আহমদ (বর্তমান কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য) ও মাস্টার ইমতিয়াজ প্রমুখ।

অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে বলা হয়, যেহেতু জায়গা সংকট রয়েছে, সেই কারণে আপাতত বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে চালু থাকবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নিয়োগ চুড়ান্ত করণে তারিখও নির্ধারণ করা হয়। এরপর ২০১০ সালের জানুযারী থেকে ইউপি ভবনে পাঠদান কার্যক্রম সচল হবার পাশাপাশি পরবর্তী তারিখে শিক্ষক নিয়োগ চুড়ান্ত করা হয়। এতে সরকারি নীতমালার আলোকে বিদ্যালয়টিতে সুফিয়া আক্তার মেরী প্রধান শিক্ষক হিসেবে এবং সহকারি শিক্ষক হিসেবে যথাক্রমে দিপীকা বড়ুয়া, নাজমুল হুদা, সেলিনা আক্তার, মোশরফা জন্নাত ও ধর্মীয় শিক্ষক পদে মৌলভী নুরুল মোস্তাফাকে নিয়োগ দেন সেইসময়ের নিয়োগ কমিটি।

এলাকাবাসি জানিয়েছেন, ইউপি ভবনে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু থাকাবস্থায় ২০১২ সালের দিকে এলাকার প্রতিষ্ঠিত জমিদার হাজি ছিদ্দিক আহমদ বিদ্যালয়ের নামে ৪০ শতক জমি ও ২০১৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল হামিদের মেজভাই ব্যাংকার এজাহার হোছাইন পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ শতক জমি দান করেন। এরপর সম্মাণিত দুইটি পরিবারের দান করা সম্পত্তির ৬০ শতক জমিতে সেমিপাকা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে পুরোদমে শিক্ষাক্রম চালু করা হয় শহীদ আব্দুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের নানা সংকটে এগিয়ে আসেন কক্সবাজার জেলা পরিষদ, চকরিয়া উপজেলা পরিষদ ও এলাকার স্থানীয় শিক্ষানুরাগী সচেতন নাগরিকরা। সবার অনুদানে বিদ্যালয়ের বিদ্যমান অনেক গুলো সংকট লাগব হতে শুরু করে।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহল জানান, তাঁরা বিদ্যালয়টির অগ্রযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার সুবাদে হাজি ছিদ্দিক আহমদকে সভাপতি করে চার সদস্যের একটি প্রস্তাবিত কমিটির মাধ্যমে ২০১৩ সালের দিকে বিদ্যালয়ের পাঠদান অনুমতির জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে আবেদন করেন। শিক্ষাবোর্ডের পরির্দশক কাজী নাজমুল ইসলাম সরেজমিন তদন্ত করে দেয়া প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে ৫ আগস্ট বিদ্যালয়ে নিন্ম মাধ্যমিক পাঠদানের অনুমতি দেন শিক্ষাবোর্ড। পরবর্তী ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী বিদ্যালয়ে একটি নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। এতে আবদুল মতলবকে সভাপতি, দাতা সদস্য হিসেবে অধ্যাপক সোলতান আহমদ, অভিভাবক প্রতিনিধি পদে ছাবের আহমদ ও আবদুল হামিদ এবং পদাধিকার বলে প্রধান শিক্ষককে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন। পরবর্তী সময়ে বিদ্যালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুফিয়া আক্তার মেরী অসুস্থতার কারণে শিক্ষাবোর্ড ও বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম সচল রাখার নিমিত্তে ধর্মীয় শিক্ষক নুরুল মোস্তাফাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেন।

এলাকাবাসি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের দিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে নুরুল মোস্তাফা যোগদানের কিছুদিনের মধ্যে অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন। সেইসময় তিনি প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে একজন ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোচিত সমালোচিত হয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি ও সুনাম নষ্টের আশঙ্কা দেখা দেয়।

সেইসময় ভিকটিম ওই ছাত্রীর অভিভাবকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি জানতে পেরে তৎকালীন চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান (বর্তমান এমপি) আলহাজ জাফর আলমের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল মোস্তাফাকে চকরিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করেন। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার মুছলেকায় তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এলাকাবাসি জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তাফার এই ধরণের অনৈতিক ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বিদ্যালয়ের অগ্রগতি ও সুনাম রক্ষার্থে নির্বাহী কমিটির সভাপতি (বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান) আবদুল মতলব ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত পদত্যাগ করেন। যার প্রেক্ষিতে একইবছরের ২০ মে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য অধ্যাপক সোলতান আহমদকে সভাপতি ও অপর দাতা সদস্য ব্যাংকার এজাহার হোছাইনকে অর্ন্তভুক্ত করে আবদুল মতলব ছাড়া অন্যদের বহাল রেখে বিদ্যালয়ের নির্বাহী কমিটি অনুমোদনের জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে আত্মীয়তার বন্ধনে নিজের সুবিধা নিশ্চিতে প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তাফা পুনরায় শিক্ষাবোর্ডে আবেদনের মাধ্যমে ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী অনুমোদন দেয়া আগের কমিটি বহাল করেন।

এলাকাবাসি আরো জানায়, আবেদনের মাধ্যমে পুর্বের কমিটি বহাল রাখলেও প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তাফা কৌশলে সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক সোলতান আহমদের স্বাক্ষর ও সহযোগিতায় নিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। একই সঙ্গে ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিনকে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফান্ডের সমন্বয়ক হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করেন।

এলাকার শিক্ষানুরাগী সুধীজনদের মতে, সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফাণ্ডের সমন্বয়ক হবার পর থেকে তাঁর সার্বিক প্রচেষ্ঠায় পরবর্তী সময় থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রযাত্রা এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের মাধ্যমিকস্তরের পাঠদান অনুমোদন ও ২০১৭ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়। পাশাপাশি সাবেক এমপি ইলিয়াছের ডিও লেটার এবং আর্থিক সহযোগিতার বদৌলতে ২০১৮ সালে মাধ্যমিকে উন্নতিকরণ ও এই বছরে চারতলা ডিজিটাল ভবন অনুমোদিত হয়।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে সেমিপাকা টিনসেটে ভবন ও ২টি টিনশেড ঘরে ১০টি শ্রেণিকক্ষে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫০ জন। শিক্ষক আছেন ৮ জন শিক্ষক, ১ জন অফিস সহকারি ও ১ জন অফিস সহায়ক রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, পাহাড়ি জনপদে শিক্ষার আলোর ছড়িয়ে দিতে শিক্ষানুরাগী অনেক গুলো মানুষের প্রয়াসে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বঞ্চনার পর সরকারি একাডেমিক স্বীকৃতি ও পাঠদান অনুমতি পেলেও বিগত কয়েকবছর ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অনৈতিক কোচিং বাণিজ্য এবং দায়িত্ব অবহেলার কারণে শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বিনষ্ট হতে চলছে। এ অবস্থার কারণে গত দুইটি বছর পরপর জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুদ্ধ অভিভাবক মহল।

এমনকি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও লেখাপড়ার মান্নোয়নে করুনীয় নির্ধারণে শিক্ষক এবং বিদ্যালয়ের নির্বাহী কমিটির ত্রৈ-মাসিক মতবিনিময় সভা আহবানের কথা থাকলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গত তিনবছরে একটি সভাও করেনি। এছাড়া বিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক হিসাব, কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত নগদ হিসাব বই, ভাউচার এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেতন ও পরীক্ষা ফি ইত্যাদি আয়ের হিসাবও নির্বাহী কমিটির কাছে উপস্থাপন করছেনা।

বরং নির্বাহী কমিটির মেয়াদ উর্ত্তীণ হবার সুযোগে কৌশলে নিজের অনৈতিক কর্মকা- চামাচাপা দিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তাফা ইতোমধ্যে শিক্ষাবোর্ড থেকে একটি এডহক কমিটি অনুমোদন নিয়ে এসেছেন। তাতে তিনি আপন বড়ভাইকে সভাপতি, অন্য জেলার বাসিন্দা ভগ্নিপতিকে অভিভাবক সদস্য ও তাঁর অনুগত একজন শিক্ষককে সদস্য মনোনীত করেছেন। সেখানে তিনি আবারও পদাধিকার বলে সদস্য সচিব হয়েছেন। এখন বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট দাতা, অভিভাবক সদস্যদের পাশ কাটিয়ে একটি নিয়মিত নির্বাহী কমিটি গঠনের অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে বিষয়টির আলোকে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য অধ্যাপক সোলতান আহমদ গত ১১ সেপ্টেম্বর চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, বমুবিলছড়ি শহীদ আবদুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়মের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের একাডেমিক সুপারভাইজার রতন বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: আওয়ামী লীগ, শিক্ষাবোর্ড
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 − 7 =

আরও পড়ুন