ছাত্রলীগ নেতার উপর প্রতিপক্ষের হামলা, বিক্ষোভ ও উত্তেজনা

fec-image

চকরিয়া পৌর নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চি‎হ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র আলমগীর চৌধুরী।

সোমবার (১৩ আগস্ট) বিকাল ৫টায় পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরীস্থ প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত সম্মেলনে এমন দাবি জানান। এদিকে সংবাদ সম্মেলনের পর পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও মেয়র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেন।

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছরওয়ার আলম, সাধারণ সম্পাদক ও ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনের শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে স্বতন্ত্র প্রার্থী তথা নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান পৌর কমিশনার জিয়াবুল হক ও তার কর্মী সমর্থকরা। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করলে যে কোন পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনকে দায়ী থাকতে হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

মেয়র প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অবৈধ অস্ত্রধারীদের নিয়ে ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতিনিয়ত হুমকি, ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড এলাকায় বিকালে (সোমবার) নৌকার সমর্থনে কর্মী সমর্থকরা নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জিয়াবুল হকের নেতৃত্বে তার কর্মী বাহিনী অতর্কিতভাবে ছাত্রলীগ নেতা সবুজ চৌধুরীসহ ৩ জনকে মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন। পরে তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত সবুজ চৌধুরীকে চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে মেয়র প্রার্থী দাবি করেছেন।

অপরদিকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জিয়াবুল হক দাবি করেছেন, ছাত্রলীগ নেতা সবুজ চৌধুরী ইভটিজিং করতে গিয়ে জনরোশের শিকার হয়েছে। তার কর্মী সমর্থকরা এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটায়নি। তার বিজয় ঠেকানোর জন্য সরকারি দলের লোকজন এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানান।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − seven =

আরও পড়ুন