সন্ত্রাস ও অপরাধ নির্বিঘ্ন রাখতেই দিঘীনালায় বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের বিরোধিতা করা হচ্ছে

khagrachari pic-(02), 11-06-2014 (khagrachari) pic-(01), 11-06-2014 111

পার্বত্যনিউজ রিপোর্ট:

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১২৯ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্তের মধ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা অংশে রয়েছে ৪৭ কিলোমিটার। এই সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে বিজিবি র কোনো নজরদারী না থাকায় দুই দেশের সন্ত্রাসী, পাচারকারীসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধীরা অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে ব্যবহার করছে।

 

গহীন পাহাড় ও  বন সমৃদ্ধ অত্যন্ত দূর্গম এলাকা হওয়ায় দূর থেকে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াও সম্ভব হয় না। ফলে রাষ্ট্রীয় ও নাগরিক নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক রক্ষা, সীমান্ত ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ অঞ্চলে নতুন বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের কোনো বিকল্প নেই। নিজ অফিসে পার্বত্যনিউজের নিজস্ব প্রতিনিধি আল আমিনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দীঘিনালায় নবসৃষ্ট ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি আরো বলেন, বিজিবি’র ভারতীয় কাউন্টারপার্ট বিএসএফ’র তরফ থেকেও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে বিজিবি মোতায়েনের অনুরোধ করা হয়েছে। সে কারণে নয়টি নতুন সীমান্ত পর্যবেক্ষণ চৌকি (বিওপি) করতে যাচ্ছে বিজিবি- যারা ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতায় কাজ করবে।

বিজিবি সূত্র মতে, সীমান্তবর্তী নাড়াইছড়ি, টেক্কাছড়া, শিলছড়ি, উত্তর শিলছড়ি, লালতারান, দিপুছড়ি, লক্কাছড়া, উত্তর লক্কাছড়া, ধূপশীল ও আড়ানীছড়া এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা চৌকিগুলো বসানো হবে। দীঘিনালার বাবুছড়ায় ৪৭ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষায় ১৯৯৫ সালে ব্যটালিয়ন স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ১৮ মে ৫১, বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি গঠন করা হয়।

পার্বত্যনিউজের দিঘীনালা প্রতিনিধি রাফি পাটোয়ারি জানিয়েছেন,  খাগড়াছড়ি সেক্টরের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ২২৭০/৩ এস হতে ২২৮৪/৩ এস পর্যন্ত ৪৭ কি.মি. অরক্ষিত সীমান্তের সুরক্ষা, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী তৎপরতা দমন কল্পে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ায় একটি স্থায়ী বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর স্থাপনের জন্য ২০০৪ সালে এল এ মামলা নং ০২ (ডি)/২০০৫ মূলে ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৩.৯০ একর এবং খাস ৩১.১০ একরসহ সর্বমোট ৪৫.০০ একর ভূমি হুকুম দখল করা হয় এবং সে অনুযায়ী ২০০৪ সালে ৪৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব প্রেরণ করা হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখ প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করা হয়। কিন্তু, সরেজমিনে ভূমি পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় কতিপয় উপজাতি নারী-পুরুষ ঐ জমির মালিকানা দাবি করে। সর্বশেষ খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ৪৫ একরের মধ্যে ব্যক্তি মালিকানা জমি বাদ দিয়ে ২৯.৮১ একর জমি বিজিবি‘র অনুকূলে অধিগ্রহণ করার জন্য ১৬ জুলাই ২০১৩ কার্যক্রম গ্রহণ করেন। ভূমি অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী এর মধ্যে  ২.২০ একর ব্যক্তি মালিকানা জমি রয়েছে। মালিক তিন ব্যক্তি হচ্ছেন বীর সেন চাকমা (১.৫০ একর), পিদিয়া চাকমা (০.৭০ একর) ও রবিজর চাকমা (০.৭০ একর)।

সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তাদের মালিকানাধীন জমির অধিগ্রহণ বাবদ ক্ষতিপূরণের টাকা বিজিবি থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর ছাড় কারানো হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা (এলএ শাখা) বরাবর অধিগ্রহণকৃত ২৯.৮১ একর ভূমির ক্ষতিপূরণ বাবদ পনের লাখ আটত্রিশ হাজার দুই শ’ আটষট্টি টাকা সেক্টর সদর দফতর থেকে খাগড়াছড়িতে প্রেরণ করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন এই টাকা গ্রহণের জন্য উক্ত তিন ব্যক্তিকে নোটিশ দিলেও একটি বিশেষ মহলের চাপে তারা টাকা নিতে আসছেন না।

এদিকে প্রস্তাবিত ভূমির ২৭.৬১ একর জায়গার কিছু অংশের মধ্যে একটি পাহাড়ে সেনাবাহিনী ও আনসার ক্যাম্প, একটি পাহাড়ে সেনাবাহিনীর হেলিপ্যাড, একটি পাহাড় পতিত অবস্থায় রয়েছে। অবশিষ্ট কিছু অংশে ৯৩৪, ৯৩৫, ৯৩৬ দাগে অধিগ্রহণের পর রহস্যজনকভাবে ৭টি পরিবার টিনের চালযুক্ত বেড়ার ঘড় নির্মাণ করে বসবাস করছে। অধিগ্রহণের সময়ে বা আগে তাদের এখানে কোনো অবস্থান ছিল না। বসবাসকারী পরিবার প্রধানগণ হচ্ছেন নতুন চন্দ্র কার্বারী, প্রদীপ চাকমা, সুকুমার চাকমা, প্রিয় রঞ্জন চাকমা, বাবুল চাকমা, বিনয় চাকমা ও জ্ঞানেন্দ্র চাকমা। 

গত ১৫ মে ২০১৪ তারিখে বাবুছড়ায় অধিগ্রহণকৃত জমি গ্রহণ করে ৫১, বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। বিজিবি‘র কার্যক্রম শুরুর প্রথম থেকেই স্থানীয় পাহাড়িরা একটি বিশেষ আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের মদদে পার্বত্য খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ায় ৫১, বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি সদর দপ্তর স্থাপনের বিরোধিতা করে আসছে।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় বিজিবির জোন সদর সদপ্তর স্থাপনকে কেন্দ্র করে গত ১০ জুন বিজিবি-পুলিশ ও উপজাতিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ও বিজিবির ৬ সদস্যসহ মোট ২২ জন আহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে ভূমি রক্ষা কমিটিসহ ইউপিডিএফ সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এবার তারা নতুন কৌশলে নতুন আন্দোলনে যাবে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে

বিজিবি সদর দপ্তরে হামলা ও ভাঙ্গচুরের ঘটনায় বিজিবি›র নায়েক গোলাম রাসুল বাদী হয়ে ১১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬ জন জেলা হাজতে ও ৪ জন জামিনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাহাদাত হোসেন টিটো। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান দীঘিনালা পুলিশের এ কর্মকর্তা।

৫১ বিজিবি কমান্ডার লে. ক. আবুল কালাম আজাদ পার্বত্যনিউজকে বলেন, মূলত ৫টি কারণে এই নতুন ব্যাটালিয়ন সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রথমতঃ দীঘিনালা অংশের এই ৪৭ কি.মি. সীমান্ত সম্পূর্ণ অরক্ষিত। একটি রাষ্ট্রের সীমানা কখনো অরক্ষিত থাকতে পারে না। তাই এই সীমান্তের সুরক্ষা প্রদানে এই ব্যাটালিয়ন স্থাপন জরুরী, দ্বিতীয়ত: এই ৪৭ কি.মি সীমান্ত অত্যন্ত দূর্গম হওয়ায় বাংলাদেশ-ভারত আন্ত:সীমান্ত অপরাধীরা এই সীমান্ত দিয়ে তাদের নির্ভয়ে তাদের অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অস্ত্র, মানব, মাদক পাচারসহ সব ধরনের পাচারকাজ এবং অবৈধ যেকোনো ধরনের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এ ব্যাটালিয়নের কাজ। তৃতীয়ত: উত্তরপূর্ব ভারতীয়  বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়শ: তাদের নানাবিধ অপরাধ কাজে এই মুক্ত সীমান্ত ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভেতরে অনুপ্রবেশ করে থাকে। ফলে বিএসএফ’র তরফ থেকে তা নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েনের অনুরোধ আসতে থাকে। বাংলাদেশ অন্যদেশের অপরাধীদের নিজ সীমান্তে প্রশ্রয় না দিতে বদ্ধ পরিকর। চতুর্থত: বাংলাদেশের বিভিন্ন পাহাড়ী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এই দূর্গম সীমান্তে তাদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, আশ্রয়স্থল ও ঘাঁটি নিমার্ণ করেছে। তারা অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে এই অঞ্চলে আশ্রয়গ্রহণ করে থাকে। পঞ্চমত: দূর্গম এই সীমান্ত মূল্যবান বনজ ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। এই সম্পদের সুরক্ষা প্রদান এবং ব্যবসায়ী ও নাগরিকদের চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা করা। বিশেষ করে এখানে কোনো বাঙালী বসতি নেই। কিন্তু নিরীহ পাহাড়ী জনগণের উপর স্থানীয় সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া চাঁদাবাজিসহ নানাপ্রকার নির্যাতন চালায় তা বন্ধ করতে এই ব্যাটালিয়ন স্থাপন জরুরী।

এদিকে সরকার যখন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ায় বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের মাধ্যমে ৪৭ কি.মি. অরক্ষিত সীমান্ত সুরক্ষার মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তখন পার্বত্য চট্টগ্রামের অনিবন্ধিত আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফ’র মদদে বাবুছড়ায় বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি সদর দপ্তর স্থাপনের বিরোধিতাসহ বিজিবির নির্মাণাধীন সদর দপ্তরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা দেশের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন পাহাড়ের রাজনীতি সচেতন মহল। তারা এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও অভিমত প্রদান করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একটি সূত্র পার্বত্যনিউজকে বলেন, নতুন বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপন হলে জনগণের সুবিধা হলেও অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের অসুবিধা হবে। তাই স্থানীয়ভাবে যারা এই ক্যাম্প স্থাপনের বিরোধিতা করছে তারা ঐ সকল অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক এবং প্রশ্রয়দাতা।

তারা স্থানীয় পাহাড়ী নিরীহ জনগণকে জিম্মি করে ইস্যুটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের পাঁয়তারা করছে। সূত্র আরো জানায়, একটি রাষ্ট্রের সীমান্তে কোথায় নিরাপত্তা ক্যাম্প বসবে এটা রাষ্ট্রিয় নিরাপত্তা সংস্থার ভাবনা। এনিয়ে নাগরিকের চাহিদা বাঁধা থাকতে পারে না।  কারণ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক বিষয়। সেখানে কারো ব্যক্তিগত জমি বা সম্পদ অধিগৃহীত হলে সে উপযুক্ত ক্ষতিপুরণ দাবী করতেই পারে, কিন্তু বাঁধা দিতে পারে না। যে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজেই আমরা এ ধরনের অধিগ্রহণ সারা দেশেই দেখছি। পদ্মা সেতুর কথা উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়। কিন্তু পাহাড়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ  ভিন্ন। এখানে একটি চিহ্ণিত পাহাড়ী গ্রুপ সকল প্রকার উন্নয়নেই বাঁধা সৃষ্টি করে থাকে। সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হোক আর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হোক। কখনো আর্মি চাই না, কখনো বিজিবি চাই না, কখনো র‌্যাব চাই না বলে আসলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় এ বিষয়টি জাতীয়ভাবে তুলে ধরা দরকার বলেও সূত্রটি অভিমত প্রকাশ করেন।

 

এ সংক্রান্ত আরও খবর

দীঘিনালার বাবুছড়ায় ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও উপজাতি কর্তৃক হামলার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করলেন ঢাকা থেকে আগত সাংবাদিকবৃন্দ

দীঘিনালার বাবুছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে ২১ পরিবার: ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের

দীঘিনালার বাবুছড়ায় বিজিবি জোন সদরে উপজাতিদের হামলা: আহত ২০

দীঘিনালা বিজিবি দফতরে হামলা ও ভাঙ্গচুরের ঘটনায় মামলা

দিঘীনালায় উপজাতি হামলাকারীরা বিজিবি’র স্থাপনা, তাঁবু ও দুটি অস্ত্র ভেঙে ফেলেছে

দীঘিনালায় জোন সদরদপ্তর স্থাপন নিয়ে বিরোধ মেটাতে পাহাড়ী প্রতিনিধিদের সাথে বিজিবি’র বৈঠক

দীঘিনালায় ভূমি রক্ষা কমিটির বিক্ষোভ: ১৫ জুন অর্ধ দিবস অবরোধ

দীঘিনালায় বিজিবি’র ৫১ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম শুরু

 

 

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

3 Replies to “সন্ত্রাস ও অপরাধ নির্বিঘ্ন রাখতেই দিঘীনালায় বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের বিরোধিতা করা হচ্ছে”

  1. বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন মাথার মধ্যে গোলক ধাঁধা কাজ করছিল। পার্বত্যনিউজকে ধন্যবাদ। এখন আমি সব ক্লিয়ার হতে পারলাম।

  2. পার্বত্য চট্টগ্রামে এত আর্মি, এত বিজিবি তার পরও আমরা কেন ওদের হাতে বন্দী। কেন তারা ওদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। নতুন ব্যাটালিযন বন্দ্ধ করবে আমি তা মনে করি না। সন্তুকে কারা পাহারা দিয়ে টিকিয়ে রেখেছে ক্ষমতায়?………..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × 2 =

আরও পড়ুন