বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলো ঘুরে দেখছেন জেলা প্রশাসক

fec-image

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য উপহারের ঘর পরিদর্শণ করে দেখছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াসছমিন পারভীন তিবরীজি। গত ১০ ও ১১ জুলাই জেলার লামা এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় নব নির্মিত  ঘরগুলো ঘুরে দেখেন তিনি।

এসময় পাহাড়ে বসবাসরত হত দরিদ্রদের মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান উপকারভোগীরা।

জানা গেছে, বান্দরবানে ২য় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়েছে ৩৩৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। এরআগে প্রথম পর্যায়ে দেওয়া হয়েছিল ৩৩৯ পরিবারকে। সম্প্রতি দেশের কিছু জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ নিয়ে নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠে। এ অবস্থায় পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় নির্মিত ঘরগুলো মাঠ পর্যায়ে ঘুরে দেখছেন জেলা প্রশাসক।

বিভিন্ন উপজেলায় সরেজমিনে জেলা প্রশাসক উপকার ভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।

এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের ঘর এখন আপনাদের সম্পদ। আগামীতে যাতে এসব ঘর নির্মাণে বান্দরবান মডেল হয়ে থাকতে পারে সেজন্য জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চান তিনি।

১০ জুলাই লামায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পরিদর্শণকালে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ানুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ, সিভিল সার্জন অংসুই প্রু মারমা, উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজা রশীদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

এদিকে গত ১১ জুলাই জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের তালুকদার পাড়ায় ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল জাবেদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলো তদারকির পাশাপাশি সরকারী বিভিন্ন বিভাগের চলমান কার্যক্রমসহ স্থানীয় মানুষের নানা বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বান্দরবান সদরে ৪টি, লামা উপজেলায় ১০০টি, আলীকদম উপজেলায় ৫০টি, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২৫টি, রুমা উপজেলায় ৬০টি, রোয়াংছড়ি উপজেলায় ২০টি, থানচি উপজেলায় ৩৪টিসহ সর্বমোট ৩৩৯টি। দ্বিতীয় পর্যায়ে লামায় ৯০টি, নাইক্ষ্যংছড়ি ২৫টি, রুমা উপজেলায় ১০০টি, রোয়াংছড়ি ১২০টিসহ সর্বমোট ৩৩৫টি ঘরের চাবি আনুষ্ঠুানিকভাবে উপকারভোগীদের কাছে প্রদান করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 − 8 =

আরও পড়ুন