‘শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি ছাড়া কোন উন্নয়ন টেকসই নয়’

fec-image

বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জিয়াউল হক, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি বলেছেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি ছাড়া কোন উন্নয়ন টেকসই নয়।’ ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটি উন্নত বিশ্বের দেশ হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নেব। এ অজর্ন করতে হলে আমাদেরকে সর্বাগ্রে শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে আমরা এসব অর্জন পেতে পারি।

সোমবার (৩০ মে) আলীকদম মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জিয়াউল হক আরও বলেন, বান্দরবান একটি সম্প্রীতির জেলা। বান্দরবান রিজিয়নের আওতায় আলীকদম জোন শান্তি-স্থিতিশীলতার রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলছে। ২০০৮ সালে আলীকদম জোনে ১২ ইস্ট বেঙ্গল আলীকদম মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে। আলীকদম সেনা জোন জননিরাপত্তার পাশাাপাশি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ২০৩০ ও ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী দেশকে উন্নত বিশ্বের একটি দেশে উন্নীত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আলীকদম সেনা জোনের কমান্ডার লে. কর্নেল মনজুরুল হাসান, পিএসসি, পিবিজিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সভায় সেনা জোনের অন্যান্য অফিসারবৃন্দ ছাড়াও শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি আরো বলেন, মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়েক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বিদ্যালয়ে উন্নীত করতে বান্দরবান রিজিয়ন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মানসম্পন্ন শিক্ষা নিয়ে যাতে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তি হতে পারে সে ব্যবস্থা করবে সেনাবাহিনী। ২০০৮ সালে স্থানীয় সাংবাদিকসহ যাঁরা মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন তাঁদেরকে ব্রিগেড কমান্ডার অভিনন্দন জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ও মাঠ ভরাট করে দেওয়ার জন্য প্রকল্প গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।

উল্লেখ্য, আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে আলীকদম মৈত্রী স্কুল ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হয়। এতে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থী এবং দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্ররা আবাসিক সুবিধা নিয়ে উন্নত পরিবেশে শিক্ষার সুযোগ লাভ করবে বলে জানা গেছে।

 

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four + twenty =

আরও পড়ুন