অবৈধ টোল আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন থানজামা লুসাই

fec-image

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাজার ফান্ড প্রশাসক অধ্যাপক থানজামা লুসাই বলেছেন, বাজারে এসে এখন থেকে যদি কোনো দুষ্ট ব্যক্তি ছলচাতুরী করে আপনাদের কাছ থেকে টোল নেয় তাহলে আপনারা আমাদের কাছে তাদের নামটা দেবেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। অবৈধ টোল আদায়কারীদের বিরুদ্ধে তার এই দৃঢ় ঘোষণায় মারমা বাজারের উপস্থিত প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা করতালি দিয়ে সমর্থন জানান।

উল্লেখ্য, বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী মারমা বাজারে জুমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করতে এসে বুধবার কাউকে হাসিল (ট্যাক্স) না দেওয়ার অনুরোধ করেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই।

জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মারমা বাজার থেকে টোল-ট্যাক্স তোলার জন্য টেন্ডার পেয়েছেন মেসার্স মিল্টন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মাও সেতুং তঞ্চঙ্গ্যা। তিনি আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ দেন মো. আব্দুল মাবুদকে। পরে আব্দুল মাবুদ টোল আদায়ের দায়িত্ব দেন চসা মং মারমা (বাবু) নামে আরেকজনকে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাজারফান্ড থেকে টোল বা হাসিল আদায়ের কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে চসা মং মারমা জানান, এক গাড়ি কলা ছড়ার জন্য দেড় হাজার টাকা, এক গাড়িতে ৬–৭ শ’ কলার ছড়ি বহন করা যায়। জুমে উৎপাদিত মারফা শসা প্রতি মণ ২০ টাকা, শুকনা হলুদ প্রতি মণ ১২০ টাকা ,বরবটি প্রতি মণ ২০ টাকা, আদা প্রতি মণ ৩০ টাকা এভাবেই কৃষিপণ্যের ওপর টোল ধার্য করে আদায় করা হচ্ছে।

পার্বত্যাঞ্চলের মানুষেরা বলছেন, শুধু বান্দরবান নয়, তিন পার্বত্য জেলায় সব স্থানেই এই অবৈধ টোল আদায় বন্ধ করা উচিৎ। কারণ এই টোল আদায়ের কারণে অনেক মানুষ কেনাকাটায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা অভিযোগ করছেন যে, ২০ টাকার টোল ২০০ টাকা নেয়া হয় কোনো প্রকার রিসিট ছাড়াই।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন