আবার গোল্ডেন বুট জিতে এমবাপের অনন্য কীর্তি

fec-image

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ফাইনালে কোনো গোলই পেলেন না। ২০২৬ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতলেন কিলিয়ান এমবাপে। গড়লেন অনন্য কীর্তি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে দুইবার সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন ফরাসি তারকা। গত আসরেও এই স্বীকৃতি পান তিনি।

চার বছর আগের বিশ্বকাপে ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ মোট আট গোল করেছিলেন এমবাপে। এবার আট ম্যাচে তিনি গোল করেন ১০টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আট গোল মেসির।

১৯৭০ সালে পশ্চিম জার্মানির হয়ে জার্ড মুলারের (১০) পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে কোনো এক বিশ্বকাপে গোলের দুই অঙ্ক স্পর্শ করেন এমবাপে।

বিশ্বকাপের এক আসরে এর চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল সান্দর কোচিশ (১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরির হয়ে ১১টি) ও জুস্ত ফঁতেনের (১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের হয়ে ১৩টি)।

বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে মেসিকে ছাড়িয়ে যান ফ্রান্স অধিনায়ক।

২২ ম্যাচে ২২ গোল নিয়ে তিনি আছেন চূড়ায়। আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৪ ম্যাচ খেলে ২১ গোল নিয়ে দুইয়ে মেসি।

এবারের আসরে মেসি প্রথম পাঁচ ম্যাচেই আট গোল করে ফেলেন। কিন্তু শেষ তিন ম্যাচে জালের দেখা পাননি রেকর্ড আটবারের ব্যালন দ’র জয়ী। ফাইনালে রোববার স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা।

মেসি ও এমবাপে, দুজনই আসরে অ্যাসিস্ট করেন সমান চারটি করে।

প্রতিটি আসরে সর্বোচ্চ গোল যাদের-

২০২৬: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স- ১০ গোল)

২০২২: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স- ৮ গোল)

২০১৮: হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড- ৬ গোল)

২০১৪: হামেস রদ্রিগেস (কলম্বিয়া- ৬ গোল)

২০১০: দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে), টমাস মুলার (জার্মানি), দাভিদ ভিয়া (স্পেন), ভেসলি স্নেইডার (নেদারল্যান্ডস) [৫ গোল]

২০০৬: মিরোস্লাভ ক্লোসা (জার্মানি- ৫ গোল)

২০০২: রোনালদো (ব্রাজিল-৮ গোল)

১৯৯৮: দাভর সুকের (ক্রোয়েশিয়া- ৬ গোল)

১৯৯৪: রিস্তো স্তইচকভ (বুলগেরিয়া), ওলেগ সালেঙ্কো (রাশিয়া) [৬ গোল]

১৯৯০: সালভাতোরে শিলাচি (ইতালি- ৬ গোল)

১৯৮৬: গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড- ৬ গোল)

১৯৮২: পাওলো রস্সি (ইতালি- ৬ গোল)

১৯৭৮: মারিও কেম্পেস (আর্জেন্টিনা- ৬ গোল)

১৯৭৪: জেগ্রোস লাটো (পোল্যান্ড -৭ গোল)

১৯৭০: জার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি- ১০ গোল)

১৯৬৬: ইউসেবিও (পর্তুগাল- ৯ গোল)

১৯৬২: ফ্লোহিয়ান আলবের্ত (হাঙ্গেরি), গারিঞ্চা (ব্রাজিল), ভালেন্তিন ইভানভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন), দ্রাজান জেরকোভিচ (যুগোস্লোভিয়া), লিওনেল সানচেস (চিলি), ভাভা (ব্রাজিল) (৪ গোল)

১৯৫৮: জুস্ত ফঁতেন (ফ্রান্স- ১৩ গোল)

১৯৫৪: সান্দর কোচিশ (হাঙ্গেরি -১১ গোল)

১৯৫০: আদেমির দে মেনেজেস (ব্রাজিল- ৯ গোল)

১৯৩৮: লেওয়ানিদাস দা সিলভা (ব্রাজিল- ৭ গোল)

১৯৩৪: অলদ্রিচ নেদলি (চেকোস্লোভাকিয়া- ৫ গোল)

১৯৩০: গিয়েরমো স্তাবিলে (আর্জেন্টিনা- ৮ গোল)

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: খেলা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন