মধ্যপ্রাচ্যে দুই শতাধিক বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে ইউক্রেন


ইরানের ড্রোন হামলায় নাস্তানাবুদ যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো। এই পরিস্থিতিতে ইরানি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সহায়তা করতে উপসাগরীয় অঞ্চল ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে ২০০ জনের বেশি সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই তথ্য জানিয়েছেন।
২০২২ সাল থেকে যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত ইরান-নির্মিত ‘কামিকাজে’ ড্রোন মোকাবিলা করছে ইউক্রেন।
মঙ্গলবার লন্ডনে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “বর্তমানে ২০১ জন ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন বিশেষজ্ঞ ওই অঞ্চলে কাজ করছেন এবং আরও ৩৪ জন মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।”
জেলেনস্কি বলেন, “এরা সামরিক বিশেষজ্ঞ, তারা জানেন কীভাবে সহায়তা করতে হয়, কীভাবে শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে হয়।”
তিনি জানান, ইউক্রেনের দলগুলো ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব এবং কুয়েতে আছেন। এছাড়া আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে কাজ চলছে এবং ইতোমধ্যে চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা চাই না ইরানি শাসনের এই সন্ত্রাস তাদের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সফল হোক।”
এদিন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলেনস্কি। এ সময় তিনি বলেন, “রাশিয়া ইরানের কাছ থেকে শাহেদ-১৩৬ ড্রোন পেয়েছে। তারাই রাশিয়াকে এসব ড্রোন ব্যবহার ও উৎপাদনের প্রযুক্তি শিখিয়েছে।”
গত সপ্তাহেও জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ ও জর্ডানে সামরিক দল পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “রাশিয়া পরে এসব ড্রোন উন্নত করেছে। এখন আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে, অঞ্চলে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনে রাশিয়ার উপাদান রয়েছে।”
তিনি এসব ড্রোনকে ‘স্বল্প খরচে ব্যয়বহুল গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য তৈরি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
















