ইসরায়েলের নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক!

fec-image

বাসস্থান, শিক্ষা, কর্মসংস্থান রাষ্ট্রীয় সেবাসহ নানা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কাঠামোগত বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন ইসরায়েলে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা। ইসরায়েলের নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হয়।

‘আদালাহ—দ্য লিগ্যাল সেন্টার ফর অ্যারাব মাইনরিটি রাইটস ইন ইসরায়েল’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলে ৬৫টিরও বেশি আইন সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক। ২০১৮ সালে পাস হওয়া ‘জাতি-রাষ্ট্র আইন’ (নেশন স্টেট ল) এই বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। এই আইনে ইসরায়েলকে ‘ইহুদি জাতি-রাষ্ট্র’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই আইন ইসরায়েলে প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদকে বৈধতা দেয়।

সংঘাতের সময় ফিলিস্তিনি নাগরিকেরা প্রায়ই বৈষম্যমূলক পুলিশি নজরদারি ও বিধিনিষেধের শিকার হন। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হতে হয় তাঁদের, বঞ্চিত করা হয় আশ্রয়কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার থেকে। এ ছাড়া, যেসব শহরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি জাতি-গোষ্ঠীর বসবাস প্রায় সমান, সেসব মিশ্র শহরে মৌখিক হয়রানির মতো ঘটনা ঘটে হরহামেশাই।

ইসরায়েলের জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশই ফিলিস্তিনি নাগরিক। কাগজে-কলমে তাঁদের অধিকারের ব্যাপারে ইসরায়েল সরকার নিজেকে সচেতন বলে দাবি করে। তবে, বরাবরই প্রায় সব ক্ষেত্রেই বৈষম্যের স্বীকার হতে হয় এই ফিলিস্তিনিদের। আর এ ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তা আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন