চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, ঘের মালিককে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ


কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি করার পর সশস্ত্র ডাকাতেরা মনজুর আলম প্রকাশ কালু (৫৫) নামে এক ঘের মালিককে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে এমন অভিযোগ উঠেছে। ডুলাহাজারা ডুমখালী এলাকার রমজান আলীর নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবারের লোকজন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোররাতে চকরিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে চিংড়িঘের এলাকা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত ঘেরমালিক মনজুর আলম উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে।
নিহতের ভাই জামাল হোছাইন অভিযোগে জানান, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চিংড়ি জোনের বড় ডুমখালী ঘোনায় তাদের মালিকানাধীন চার একরের একটি চিংড়ি ঘের রয়েছে। সেই চিংড়ি ঘের দখলে নিতে সন্ত্রাসী রমজান আলীর নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে সম্প্রতি ঘেরে হানা দেয়। এ সময় ঘের থেকে লুট করা হয় উৎপাদিত চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, ঘেরের মূল্যবান মালামালও। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ অবস্থায় রমজান আলীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আরো বেপরোয়া হয়ে পুরো ঘের দখলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শুক্রবার ভোররাত আড়াইটার দিকে ঘেরে হানা দেয়।
তিনি আরও দাবি করেন, সন্ত্রাসী রমজান আলীর ছোট ভাই শহীদুল ইসলাম পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত আছেন। সেই শহীদুল ইসলামের পুলিশের পোশাক (জ্যাকেট) পরিহিত হয়ে রমজান আলী তার সশস্ত্র ডাকাত-সন্ত্রাসীদের নিয়ে ঘেরটি জবর-দখল করতে যায়। এ সময় ঘেরের খামার বাড়িতে অবস্থানরত বড় ভাই মনজুর আলম প্রকাশ কালুকে ধাওয়া দিয়ে ধরে পাশের খালে নিয়ে যায়। সেখানে পানিতে চুবিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘেরের পাশে খালের পাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। তবে মরদেহের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

















