ঢাবির পাঁচ ভবনের গেটে ছাত্রলীগের তালা, পাঁচ প্রহরী বরখাস্ত

fec-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অ্যাকাডেমিক স্থাপনার ফটকে তালা ঝুলানোর ঘটনায় পাঁচজন নিরাপত্তা প্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতারা তালা লাগানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে স্বীকার করেছেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নিরাপত্তারক্ষীরা হলেন- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শাহ আলম ও মো. সেলিম, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সফিকুল ইসলাম, কার্জন হলের ফটকে দায়িত্বরত আলী আহমেদ এবং চারুকলা অনুষদের মাঝের ফটকে দায়িত্বরত সংগ্রাম হোসেন।

জানা যায়, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) পিছনের ফটক, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ফটক, চারুকলা অনুষদের তিনটি ফটকের মাঝের ফটক, কার্জন হলের হাইকোর্ট সংলগ্ন ফটক এবং কার্জন হল এলাকার আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদ ভবনের সামনের ফটকে তালা লাগানো হয়েছিল। শিকল দিয়ে তালা লাগিয়ে সাদা কাগজে ‘লকডাউন বিএসএল’ লিখে দেওয়া হয়।

রাতে অ্যাকাডেমিক ভবনের গেটগুলো বন্ধ থাকে। ফটকে নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। এর মধ্যে আইইআরের পিছনের অংশের ফটক দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ; চারুকলা অনুষদের মাঝের গেট ও হাইকোর্ট সংলগ্ন কার্জন হলের গেট মাঝেমধ্যে খোলা হয়।

বিষয়টি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, যেসব গার্ড এসব গেটে দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সহকারী প্রক্টররা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কিনা, তা আমরা যাচাই করছি। এ ধরনের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা বিষয়টি দেখছি।

এ দিকে বুধবার ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম ফেসবুকে একটি পোস্টে ঘোষণা দেন, নিষিদ্ধ ও বিতাড়িত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নির্মূল ও ফ্যাসিবাদী শক্তির মূলোৎপাটনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার ডাকসু মাঠে থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদেরকে দেশবিরোধী আওয়ামী দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দলবেঁধে নেমে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ঢাবি
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন