প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কক্সবাজারে উৎসবের আমেজ


শনিবার কক্সবাজার সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২০০৬ সালের পর ২০ বছর পর তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর এটি।
তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনে সরকারি ও দলীয়ভাবে নেওয়া কর্মসূচি সফল করতে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
শিক্ষাগত মানোন্নয়ন, ব্রিটিশদের করা সেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণসহ প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে অনেক কিছু প্রাপ্তির আশায় রয়েছেন সচেতন মহল।
সফরকালে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে রয়েছে ১৯৭৯ সালে পিতা শহীদ জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পিএমখালীর পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন। যেখানে ১৯৭৯ সালের ৪ ডিসেম্বর দেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এসেছিলেন।
খাল খননের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সাফারি পার্কে বসে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, জুলাই যোদ্ধা শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত, চকরিয়া জনসভায় বক্তব্য শেষে কক্সবাজার আসবেন।
সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাত্রদলের এক সভায় দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে কক্সবাজার এসেছিলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম সফর। তাই এই সফর যুগান্তকারী। কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরী নতুন উপজেলা স্থাপন যেন ইতিহাস হয়ে থাকবে—এমনটাই মনে করেন স্থানীয়রা।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে একদিকে যেমন কক্সবাজারে আনন্দের জোয়ার দেখা দিয়েছে অন্যদিকে সরকার প্রধানকে বরণ করে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

















