সনদ জালিয়াতির মামলায় পেকুয়ার সাব-রেজিষ্টার গ্রেফতার
পেকুয়া প্রতিনিধি :
এইচএসসি পাশ করে সাব রেজিষ্ট্রার! এমন ঘটনা ঘটেছে পেকুয়া উপজেলায়। সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি চাকুরী নেয়ার অভিযোগে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়েরকৃত মামলায় পেকুয়া উপজেলা সাব রেজিস্টার পরিতোষ কুমার দাসকে নিজ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পেকুয়া উপজেলা সাব রেজিস্টার কার্যালয় থেকে থানা পুলিশের এ এস আই সুমনের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারি পরিচালক আহমেদ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও দুদকের উপ পরিচালক ধৃত সাব রেজিষ্ট্রার কে কোটে প্রেরণ করেন।
জানা যায়, পরিতোষ কুমার দাশ চলতি বছরের ১৯ মে পেকুয়া উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রারের পদে যোগদান করেন। পেকুয়া উপজেলার পাশাপাশি চকরিয়া উপজেলার সাব রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পালন করছেন। তিনি ঢাকা জেলার সুতরাজ থানার অবিষ্ক ৩৫ নং ঠিকাতলা হাটখোলা রুটের ইন্ধন বোষন দাসের পুত্র।
দূর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারি পরিচালক আহমেদ ফরহাদ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত পরিতোষ কুমার দাস ১৯৮৫ সালের ২৭ মে মুজিব নগরী কর্মচারী হিসেবে সাব রেজিস্টার পদে মনোনীত হন। তিনি এইচ এস সি পাস হলেও সার্টিফিকেট দাখিল করেছেন এম এস সি পাসের। ভুয়া তথ্য ও জাল সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকুরী করার অভিযোগে বুধবার তার বিরুদ্ধে ঢাকার শাহবাগ থানায় তিনি বাদী হয়ে একটি মামলা রুজু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পরিতোষ চাকরিতে যোগদান করেছেন ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। তখন থেকে ২০১৫ সালে ৩০ জুন পর্যন্ত বেতন ও ভাতাদি বাবদ ১১ লাখ ১২ হাজার ৬৩৬ টাকা অবৈধভাবে গ্রহণ করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ভুইয়া বলেন, দুদকের কর্মকর্তারা থানা পুলিশের সহযোগিতায় পেকুয়া সাব রেজিস্টার কার্যালয় থেকে চকরিয়া পেকুয়া উপজেলা সাব রেজিস্টার পরিতোষ কুমার দাসকে গ্রেপ্তার করেন। এদিন বিকালে তাকে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করেছে দুদক। আর আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


















