চিকিৎসার আড়ালে মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার

fec-image

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক ১৪ বছর বয়সী মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি আবুল খায়ের (৩৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮মে) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষককে বৃহস্পতিবার জেলা শহর মাইজদী থেকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পেটের ব্যথায় ভুগছিল ওই ছাত্রী। ৫ ফেব্রুয়ারি তার দাদি চিকিৎসার জন্য তাকে মাদরাসার প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে যান। সেই সময় কবিরাজি চিকিৎসার আড়ালে শিক্ষকের সঙ্গে দাদিকে বাইরে পাঠানো হয়। পরে শিক্ষকের কৌশলে ওই ছাত্রী শ্লীলতাহানির শিকার হন।

প্রাথমিকভাবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ১৫ এপ্রিল ভিকটিমের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের পর তদন্ত শুরু হয়।

মামলা দায়েরের পর ভিকটিমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পুলিশ ইতোমধ্যেই একটি ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

চরজুব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান জানান, ভিকটিমের বাবা শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন, এবং মা ভিকটিমের বাড়িতে হামলার ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আবুল খায়েরকে উভয় মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ধর্ষণ, মাদরাসা, শিক্ষক
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন