চট্টগ্রামে চাকমা তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪


চট্টগ্রাম নগরে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক অভিযোগকারীরা হলেন—আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা, ওথাইইনু মারমা ও ওকরাইজা মারমা।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ কলেজ এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে ইপিজেড থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী তরুণী সিইপিজেডের এমএস সুমন্তরা-১ গার্মেন্টসে কর্মরত। চাকরির সুবাদে তিনি ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার আনোয়ারা ম্যানশনে অন্যান্য নারী শ্রমিকদের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, গত ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী চাকমা তরুণীর বন্ধু অংশুইচিং মারমা চিকিৎসার জন্য ফেনী থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বাসায় ওঠেন। বিষয়টি একই বাসার বাসিন্দা ওকরাইজা মারমা এলাকার পরিচিত ওথাইইনু মারমাকে জানালে, সে আপ্রমং মারমা ও থুয়াইচিং মারমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে।
একপর্যায়ে থুয়াইচিং মারমা, পূর্বপরিচিত ওকরাইজা মারমার সহায়তায়, ১৯ এপ্রিল রাত প্রায় পৌনে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণীকে ব্যারিস্টার কলেজ রোডের সিরাজ বিল্ডিংয়ের পঞ্চম তলায় আপ্রমং মারমার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।
সেখানে আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা ও ওথাইইনু মারমা তরুণীকে বিভিন্ন আপত্তিকর কথা বলে এবং তার বন্ধু অংশুইচিং মারমার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তোলে। পরে তারা তরুণীকে নিজেদের সঙ্গে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা ও ওথাইইনু মারমা তাকে জোরপূর্বক পালাক্রমে চাকমা তরুণীকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায়।
উৎস : দেশ রূপান্তর ( ২৪ এপ্রিল ২০২৬)
















