চকরিয়ায় জম জম হাসাপাতালে সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর-লুটপাট মারধরে এমডি গুরুতর আহত
চকরিয়া প্রতিনিধি:
দু‘লাখ টাকা দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ার জেরে চকরিয়া পৌরশহরে অবস্থিত বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান জম জম হাসপাতাল (প্রা:) লিমিটেডে একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী আকস্মিক হামলা চালিয়েছে। সন্ত্রাসীরা এসময় প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা, ভাংচুর ও লুটরাজ চালিয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে।
বাধা দেওয়ায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গোলাম কবিরকে অমানবিক মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। এতে গুরুতর আহত হয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার বিকেল আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মারধরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। জনসেবায় নিবেদিত জেলার খ্যাতিমান একটি প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ক্ষুব্ধ সচেতন মহল দায়ী সন্ত্রাসীদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
আহত সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত জম জম হাসপাতালের এমডি গোলাম কবির সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পৌরশহরের দু‘নম্বর ওয়ার্ডস্থ জনতামার্কেট এলাকার জেনারেটর রফিক ও আলমগীরের নেতৃত্বে ক‘জন লোক ক‘দিন ধরে প্রতিষ্ঠানের নিকট দু‘লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে।
কিন্তু তাদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় শুক্রবার বিকেল আড়াইটার দিকে পরিকল্পিতভাবে হাসপাতালে স্বশস্ত্র হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায় তারা। ঘটনার পর চকরিয়া থানা পুলিশ ও স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক জিএস রফিক জানান, সন্ত্রাসীদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ৮/১০ জনের একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী বিকেল আড়াইটার দিকে আকস্মিক হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে। এ সময় এমডি গোলাম কবির বাঁধা দেওয়ায় তার উপর সন্ত্রাসীরা স্বশস্ত্রভাবে হামলা ও মারধর করে।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে পুলিশ আসার খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে তারা আইনের আশ্রয় নেবেন বলেও জানান হাসপাতালের উপপরিচালক জিএস রফিক।


















