জামায়াতের সাথে এনসিপির বোঝাপড়াটা ক্লিয়ার করা প্রয়োজন : আব্দুল কাদের


জামায়াতের সাথে এনসিপির বোঝাপড়াটা আসলে কি, সেটা মানুষের কাছে ক্লিয়ার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা আব্দুল কাদের।
২২ এপ্রিল নিজের ফেইসবুক পোস্টে এ বিষয়ে আব্দুল কাদের আরো উল্লেখ করেন যে, ‘হিসাব অনুযায়ী এনসিপি সংরক্ষিত নারী আসন পায় একটা। সেটায় তারা তাদের নেত্রী মনিরা শারমিনকে মনোনয়ন দিল। কিন্তু এনসিপির আরেক নেত্রী মাহমুদা মিতুও দেখলাম মনোনয়ন পাইলো, সেটা নাকি জামাত কোটায় পাইছে। আবার জামাত নেতা হামিদ সাহেব দেখলাম মিডিয়ার সামনে মিতু আপাকে বলতেছে, “তুমি তো আধা জামাত, আধা এনসিপি!” মিতু আপাও সুন্দর হাসি দিয়ে সেটাকে এনডোর্স করলেন। পরবর্তীতে ‘পলিটিকাল কমিটমেন্ট’ ঠিক রাখার জন্য গদগদ ভাষায় জামাতকে ধন্যবাদও জানাইলেন।’
পোস্টে আব্দুল কাদের আরো লেখেন, ‘জামাত যখন নিজেদের আসন জোটসঙ্গী দলের স্পেসিফিক কিছু ব্যক্তিকে দিবে, সেক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তিরা স্বাভাবিকভাবে নিজের দলকে সার্ভ না করে জামাতের এজেন্ডা-ই বাস্তবায়ন করবে। পদপদবি, ক্ষমতার ভাগীদার হওয়ার জন্য জামাতের কাছে রাতদিন ধর্না দিবে, জামাতকে তোয়াজ করে চলবে, পার্টির ভেতরে এবং বাহিরে। জাতীয় নির্বাচনের সময়েও আমরা দেখেছি, জামাত ঘেষা মানুষরাই এনসিপি থেকে বেশিভাগ মনোনয়ন পেয়েছে। আবার ভোটের মাঠে কয়েকজনকে জামাত সহায়তা করে নাই, তাদের ‘পছন্দের লোক না’ বলে। জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে এনসিপির মধ্যে জামাতকে তোয়াজ করে চলার প্রবণতা বেড়ে গেছে। কারণ, জামাতের সাপোর্ট পেলে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে। সবাই কেনো জানি ক্ষমতায় যেতে চায়। স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র-চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য অনেকেই “এনসিপি কম জামাত বেশি” টাইপ পলিটিক্স করতেছেন। জামাতের মন জুগিয়ে চলার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’
এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপি নেতা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “উপরে উপরে পার্টি ভেতরে ভেতরে প্রক্সি উইং” অবস্থা যদি এমন হয়; তাহলে পার্টি হিসেবে এনসিপি’র ভবিষ্যৎ কি? নেতারা কি এসব নিয়ে ভাবেন? ভাবার সময় পান? নাকি তারাও ক্ষমতার মোহে বিভোর!’
















