পার্বত্য ১২টি জাতিগোষ্ঠীর জন্য কেএসমং-এর ব্যক্তি দায়বদ্ধতার দৃষ্টান্ত

fec-image

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএসমং বলেছেন, বিনামূল্যে এই চক্ষু সেবা চিকিৎসায় যারা দুর্গম পথ পাড়িয়ে দিয়ে এসেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। কেননা এই ছোট্ট উদ্যেগে দরিদ্র পরিবারে অন্ধাকারে থাকা চোখ আজ আলোতে ফিরে পাবেন। এই দিনটি স্বাক্ষী রেখে বলতে চাই- এই উদ্যেগ কোন কৃপা নয়’ সবার প্রতি দায়বদ্ধতা। এই বিনামূল্যে সেবা নিতে আসা কোন রোগীকে একটা টাকাও খরচ করতে হবে না।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রেইছা স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে সুবিধাবঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পে প্রধান অতিথি থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং এসব কথা বলেন।

আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং বলেন, আমার ব্যক্তিগত ছোট্ট উদ্যেগে আজ বিনামূল্যে সেবা দিচ্ছি। পার্বত্য এলাকায় ১২টি জাতিগোষ্ঠীর হতদরিদ্র পরিবারগুলো এই সেবা পাবে। আগামীতে আমার এই ছোট পরিকল্পনা আগামীতেও সবার মাঝে পৌছে যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত তিন হাজার রোগীর চোখ পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও হতদরিদ্র রোগীদের হাসপাতালের যাওয়া-আসা ও সেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

আয়োজকরা জানান, চোখের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের বিনামূল্যের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসময় সমাজকর্মী উছোমং সভাপতিত্বে পরিচালক ডা: মং উষাথোয়াই, রেইছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহ্রী মারমা, হিলস রাইটার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ক্যসামং, সদর ইউপি চেয়ারম্যান অংসাহ্লা মারমাসহ উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: বান্দরবান
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন