টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা নিহত, ইয়াবাসহ অস্ত্র উদ্ধার

fec-image

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১লাখ ৫৮হাজার ইয়াবা, দুই এলজি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হোয়াইক্যং পুলিশের ইনচার্জ এসআই মশিউর রহমান এএসআই আরিফুর রহমান আহত হন বলে জানা গেছে।

শনিবার (৯ মে) ভোর ৪ টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিয়ানমার লাগোয়া উলুবনিয়া সীমান্তে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুর সালামের ছেলে নুর মোহাম্মদ (৩৫) ও সৈয়দ করিমের ছেলে মো. রফিক (২৫)। তারা আশ্রিত রোহিঙ্গা

জানা গেছে, শুক্রবার (৮ মে) রাতে উলুবনিয়া সীমান্তে একদল ইয়াবা কারবারি ইয়াবার লেনদেন করছিল। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই দুই রোহিঙ্গাকে আটক করতে সক্ষম হন।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার হয়ে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে। প্রায় সময় এনে ওই সমীন্তের জনৈক আলী আকবরের বাড়ি দক্ষিণ পাশের পুকুরপাড়ে ইয়াবা মজুদ রাখা হয়। পাশাপাশি কয়েকজন মিলে অস্ত্রসহ স্থানটি পাহাড়া দেওয়া হতো। এখনো এ স্থানে বিপুল পরিমান ইয়াবা মজুদ রয়েছে।

শনিবার (৯ মে) ভোর রাতে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একদল টীম ঘটনাস্থলে পৌঁছলেই ইয়াকারবারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে ওই পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তা আহত হলে জানমাল রক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

বেশ কিছু সময় গুলি বিনিময়ের পর অস্ত্রধারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে দুই জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ওইসব ইয়াবা, দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র ৫ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তূজ, ৯ রাউন্ড কার্তূজের খোসা পাওয়া যায়।

আহত দু‘জনকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মৃত্যুবরণ করেন।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. জাকারিয়া মাহমুদ জানান, ভোরে পুলিশ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে নিয়ে আসে। এসময় তাদেরকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। একই সাথে পুলিশের দুই সদস্যকেও চিকিৎসা দেয়া হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) প্রদীপ কুমার দাশ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ইয়াবা, টেকনাফ, বন্দুকযুদ্ধ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × 1 =

আরও পড়ুন