পার্বত্যাঞ্চলে বিস্ময়কর উন্নয়ন হয়েছে: সেতু মন্ত্রী

fec-image

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, পার্বত্যাঞ্চলে বিস্ময়কর উন্নয়ন হয়েছে। রোববার (১৫ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে জুম মিটিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি আরও বলেন, আ’লীগের উন্নয়নের ১২ বছর আগে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের অবস্থা কেমন ছিলো। ১২ বছর পর কেমন উন্নয়ন হয়েছে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার রাস্তার পাশে মানুষ ধান রোপণ করছে। বান্দরবান এবং রাঙামাটির সীমান্ত সড়কের কাজ চলছে। রাঙামাটিতে অনেকগুলো বেইলি ব্রিজ নির্মান করা হয়েছে। তবে কিছু সদস্যা আছে সেগুলো অচিরেই দূর হয়ে যাবে।

সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি জানান, পাহাড়ের আনাচে-কানাচে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হয়েছে। যেখানে বিদ্যুৎ নেই নেই সেখানে সোলার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি মহল পাহাড়ের উন্নয়নে বাঁধা প্রদান করে যাচ্ছে। তারা অতীতেও এ উন্নয়ন চায়নি।

মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও জানান, পাহাড়ের প্রধান সমস্যা হলো- ভূমি সমস্যা। যারা সমালোচনা করেন, যাদের সাথে শান্তি চুক্তি হয়েছে তাদের বলবো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন করেছে তা ভালভাবে দেখুন। শান্তিচুক্তির প্রতিটি শর্ত, প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করা হবে; কেবল সময়ের ব্যাপার।

তিনি বলেন, শত কাজের মধ্যে এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার মূল কারণ হলো- আমি পাহাড়কে ভালবাসি। পাহাড়ে রক্তক্ষরণ এড়াতে, গোষ্ঠী দ্বন্ধ ঘটনা বন্ধ করতে এবং অশুভ শক্তি মোকাবিলা করতে অংশ নিয়েছি। সারাদেশে যে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা পাহাড়েও সেই উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে। করোনার ভ্যাকসিন পার্বত্যাঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে। করোনার প্রথম ধাক্কা আমরা পার করেছি। শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যেখানে পৃথিবীর অনেক দেশ অর্থনৈতিক ধ্বস নেমেছে সেখানে আমাদের দেশে আর্থিক কোন সংকট নেই। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, তারা জনবিরোধী। এটা বুঝা যায় তাদের রক্তাক্ত কার্যক্রম দেখে। ১৫ আগস্ট এবং ২১ আগস্ট সেই প্রতিফলন।

রাঙামাটি জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, করোনার পরিস্থিতি উন্নতি হলে আপনার এই মাসে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিন। করোনার কারণে সম্মেলন বন্ধ ছিলো। আপনারা আগে উপজেলা এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন শেষ করবেন।

জুম মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি। জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বরের সঞ্চালনায় এসময় পার্বত্য চট্গ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমীন, দপ্তর সম্পাদক রফিক আহম্মেদ তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মমতাজ উদ্দীনসহ সংগঠনটির জেলা ও উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দরা জুম মিটিংয়ে অংশ নেন।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen + fourteen =

আরও পড়ুন