মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি


রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে।
এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত সীমান্ত অতিক্রম, রসদ পরিবহন ও সরবরাহ সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
একই সময়ে সামরিক জান্তাও বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মংডুর বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মি সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময় সামরিক জান্তা Y-12 পরিবহন বিমান ও জেট যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক গ্রামগুলোতে বোমা হামলা চালায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জুনের এক বিমান হামলায় দ্বাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া ১ জুলাই সকালে বুথিডং এলাকায় আরেকটি বিমান হামলায় দুই মুসলিম শিশুসহ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এছাড়া ১ জুলাই রাতে মংডু শহরের আশপাশে এবং ২ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কিয়েইনচাউং গ্রামের কাছে Y-12 বিমান ও দুটি জেট যুদ্ধবিমান দিয়ে আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও দাবি করে, একই সময়ে আরসা, আরএসও, ও এআরএ গোষ্ঠীগুলো মায়ু পর্বতমালা এবং মংডুর মিতাইক, থিনবাউহ্লা, দোন্যো ও তাউংপিওসহ বিভিন্ন গ্রামে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।
এছাড়া, মংডুর নাখাখা (৫) ঘাঁটির যুদ্ধে সামরিক জান্তা অতীতে এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল এবং ওই সংঘর্ষে জান্তা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর বহু সদস্য নিহত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

















