যেভাবে মুসলিম হলেন সাইফুল ইসলাম ত্রিপুরা

fec-image

সাইফুল ইসলাম ত্রিপুরা ছিলেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকের ছেলে। তার সহপাঠী মুসলিম বন্ধুর আচরন ও আতিথেয়তা এবং ধর্ম পালনের বিষয়ে মুগ্ধ হন তিনি। তখন থেকেই তার হৃদয়ে ইসলাম ধর্মের প্রতি টান তৈরি হয়। মুসলিম হবার বাসনা জাগলেও জানাতে পারেননি তখন। তারপর চলতে থাকে জীবনের নানান ঘাত-প্রতিঘাত। অবশেষে সকল বাধা পেরিয়ে গ্রহণ করলেন বিশ্ব শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম। তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি তিনি নিজেই ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে জানিয়েছেন। পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

আসসালামু আলাইকুম, আমাকে আমার মা বাবা দূরে একটি খ্রিস্টান মিশনারিতে লেখাপড়া করার জন্য পাঠিয়ে দেয় এবং আমি খ্রিস্টান মিশনারিতে থেকে পাশে একটি স্কুলে লেখাপড়া করতাম, আমি যখন খ্রিস্টান মিশনারিতে থেকে পাশের স্কুলে লেখাপড়া করি তখন আমার ক্লাসে কিছু মুসলিম ছেলে-মেয়েরা স্কুলের আশেপাশে তাদের বাড়ি আমার সাথে একই ক্লাসে লেখাপড়া করতো। আমরা হিন্দু, খ্রিস্টান, মুসলিম সকলেই একসাথে লেখাপড়া করতাম।

আমার অনেক বন্ধু ছিলো এর মধ্যে সবচেয়ে মুসলিম বন্ধুটি ভালো ছিল। সেই বাড়ি থেকে স্কুলে আসার সময় আমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসতো এবং টিফিনের সময় আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাত খাওয়াতো আমার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল, দেখতে দেখতে ২ বছর কেটে গেল এবং আমরা একই ক্লাসে ছিলাম, সেই আমাকে তার ইসলাম ধর্মের দাওয়াত দিতে থাকে এবং নবিজির সম্পর্কে বুঝাতে থাকে। একদিন সেই বন্ধু দুপুরে খাবারের বিরতি যখন দেওয়া হয় তখন সেই আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেই আমাকে বলে দোস্ত তুমি বস আমি নামাজ পড়ে আসি, তখন আমি আমার বন্ধুকে বলি বন্ধু আমার একা ভালো লাগবেনা আমিও তোমার সঙ্গে যাবো।

তখন বন্ধু আমাকে না করেননি এবং আমাকে তার সাথে মসজিদে দিকে নিয়ে যায়, আমি বাহিরে দাড়িয়ে থাকি এবং দেখতে থাকি, খ্রিস্ট্রান আর মুসলিমদের মধ্যে অনেক আলাদা আমি খেয়াল করি মুসল্লিরা নামাজে যাওয়ার আগে প্রসাব করলে দাড়িয়ে না করে বসে করে এবং পানি ব্যবহার করে, তারপরে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করে।

এই সময় আমি চিন্তা করি আমাদের খ্রিস্টান ধর্মের ধর্মালম্বীরা হাতে পবিত্র বাইবেল হাতে নিয়ে দাড়িয়ে প্রসাব করে এবং পানি বা টিস্যু ব্যবহার না করে গীর্জায় ঢুকে যায়, ঐ কথা গুলো চিন্তা করতে করতে হঠাৎ আমার বন্ধু মসজিদ থেকে বেড়িয়ে আসে এবং দুইজন গল্প করতে করতে হাটতে থাকি এবং বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবার হাটতে হাটতে স্কুলে উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই এবং ক্লাস শেষ করে আমি হোস্টলে চলে যাই এবং বন্ধু তার বাড়িতে চলে যায়, এইরকম দিন যেতে থাকে।

বন্ধুকে যে ইসলামের বিষয়ে কিছু জিজ্ঞেস করবো ঐ সাহস আমার ছিলনা, কারণ আমি খ্রিস্টান ধর্মের প্রচারকের ছেলে, কোনমতে সাহস পাচ্ছিলামনা, পরীক্ষা শেষ করে যখন বাড়িতে আসবো আসার আগে বন্ধু আমাকে আবার তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেয় এবং যে মসজিদে আমার বন্ধু নামাজ পরতো ঐ মসজিদে হুজুরের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়, এত কিছুর পরেও আমি সাহস পাচ্ছিলামনা যে আমি ইসলাম ধর্ম পালন করতে চাই ঐ সাহসটা পাচ্ছিলামনা মাথায় চিন্তা ছিল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে যে আমার ইচ্ছা ঐ বিষয়টা যদি মা-বাবা এবং মিশনারী লোকেরা জেনে যায় খুব মনের মধ্যে ভয় ভয় ছিলো।

৭ দিন পরে বাবা আমাকে নিতে যায় এবং বন্ধুকে বিদায় জানিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই, কিন্তু দুঃখের বিষয় বন্ধুর মোবাইল নাম্বারটা নেওয়া হয়নি। আমি বাড়িতে চলে আছি এবং আমার গ্রামের আশেপাশে বাঙালি মুসলিমদের সাথে মেলামেশা করতে থাকি, কয়েকদিন চলে না যেতেই বাবা জেনে যায় আমি কেন পাড়ার লোকদের সাথে না মিশে কেনো বাঙালি মুসলিমদের সাথে মেলামেশা করতেছি বাবা আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি কিছু না বলে চুপ করে ছিলাম।

কয়েকদিন পরে মেম্বার-চেয়ারম্যান ভোট হয় এবং আমার আব্বু মেম্বার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পায়। আব্বু ব্যস্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরতে থাকে। একদিন আব্বু ঠিক ঐরকম সকালে সফরে বের হয়ে পড়ে এবং বিকালে আমি বাঙালি মুসলিম ভাইদের সাথে বল খেলতে চলে যাই। আমি তো জানতাম না বাবা এত তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসবে। খেলার শেষে বাড়িতে এসে দেখি বাবা ভাত খাচ্ছে। বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি বাবার চোখ-মুখ অন্যরকম হয়ে আছে। আমি কিছু না বলে বাড়ির ভিতর ঢুকার চেষ্টা করি আর বাবা সাথে সাথে উচ্চ স্বরে বলে তুমি ঘরের ভিতর প্রবেশ করতে পারবানা। তুমি বাইরে থাকো, যতক্ষণ না তুমি সংশোধন হও।

আমার গায়ে একটি গেঞ্জি এবং একটি থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট ছিল তাও আবার ভিজা, ঘরের বাইরে দাড়িয়ে থাকতে থাকতে রাত প্রায় ১০টা বাজে বাড়ির এবং পাড়ার লোকেরা সকলেই ঘুমিয়ে পড়ে কোন শব্দ নেই আমি ঠাণ্ডায় কাতরাচ্ছি। খুব ঠাণ্ডা এবং হালকা হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। মনে মনে বলতেছি এখন আমি কি করবো, হঠাৎ আম্মু বলে তুমি তোমার আব্বুর কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও আর বাঙালি মুসলিম ছেলেদের সাথে খেলতে যাবোনা মেলামেশা করবো না এইরকম বলতে বলে, কারণ মা বলে কথা, তবুও আমি কিছু না বলে চুপ করে থাকি।

কিছুক্ষণ পরে আব্বু ঘরের লাইট জ্বালিয়ে হাতুরি এবং দা খুঁজতে থাকে এবং বলতে থাকে এইরকম ছেলে আমার প্রয়োজন নাই এই বলে আমাকে দা দিয়ে মারতে আসে তাই আমি ভয় পেয়ে যাই এবং তাৎক্ষণিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখন পাড়ার সকল লোকদের বাবা বলল, আমার ছেলেকে যে ঘরে তুলবে তার খবর আছে! এই কথা শুনে পাড়ার লোকেরা ভয় পেয়ে যায়। রাতে গায়ে কাপড় ভিজা অবস্থায় একটি পরিত্যক্ত মুরগীর ঘরে আশ্রয় নিই এবং সকাল হয়ে যায়। বাবা আমাকে দেখে ফেলে এবং পাড়ার লোকেরা আমাকে ধরিয়ে দেয় এবং বাবা আমাকে মেরে ফেলবে এই বলে গেঞ্জি কলার ধরে বাড়ির একটি গাছে নিচে বেঁধে রাখার জন্য দড়ি খুঁজতে থাকে।

এই ফাঁকে পালিয়ে যাই এবং হাটতে থাকি। রাতে, সকালে, দুপুরে তিন বেলা পেটে কোন খাবার জুটেনি। হাটতে থাকি কি করবো আর, হাটতে হাটতে চকরিয়া চলে আছি এবং একটি চনামুড়ির দোকানে বসে থাকি এবং বসে থাকতে থাকতে অনেকক্ষণ হয়ে গেলো। দোকানদার জিজ্ঞেস করলো এতক্ষণ বসে থাকলেতো হবেনা কাস্টমারকে বসাতে হবে এই বলে আমাকে উঠিয়ে দেয়। সে তো জানেনা আমার কি অবস্থা! কীসের জন্য বসে আছি এবং আমি দোকানের এইদিকে একবার ঐদিকে একবার ঘুরতে থাকি। পেটেও খুব ক্ষুধা! কি করবো মাথায় কিছু আসতেছেনা। হঠাৎ ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে দোকানদারকে বলে ফেলি ভাইয়া আমাকে একটা কাজ দিবেন। দোকানদার বলে, জ্বী পাওয়া যাবে। আমার একজন কাজের লোক প্রয়োজন। এই কথা শুনে আমি খুব খুশি হয়ে গেলাম। আমি দোকানদারকে বলি ভাইয়া কাজটা তাহলে আমাকে দিন। কিন্তু দোকানদার বলে কাজ করতে পারবা কিন্তু তোমার কাপড়-চোপড় নিয়ে আসতে হবে। আমার কাছে তো কাপড় নেই। কি করতে পারি চিন্তায় পড়ে গেলাম।

মনে মনে ভাবতেছি কী করবো? করার তো কিছু নাই! মেনেই নিতে হবে। লম্বা সফর রওয়ানা দিলাম পাড়ার উদ্দেশ্যে। দুঃখের বিষয়, কাপড়-চোপড় পাওয়া তো দূরের কথা কেউ শুনলোনা আমার কথা, আর যাওয়া হলোনা। সেই দোকানদারের কাছে রাত কাটালাম পাড়ার কোন রকম এক ঘরের কোনে।

পরের দিন সকালে খবর পেলাম আমার জেঠাতো ভাইয়েরা জঙ্গলের ভিতরে বাঁশ কাটতে যাবে। তাদের সাথে যোগাযোগ করে চলে গেলাম গভীর জঙ্গলে ২ দিন যাবত শুধু পানি খেয়ে আছি। হাতে নেই কোন টাকা-পয়সা, তারপরে জেঠাতো ভাই এদের সাথে চুক্তি হলো প্রত্যেকদিন ৪০ থেকে ৫০টি বাঁশ কেটে দিতে হবে। সকালের ভাত খাইতাম দুপুরে ১২টা অথবা ১টা বাজে। রাতের ভাত মাঝে মাঝে খেতাম আর মাঝে মাঝে বাঁশ ৪০ তেকে ৫০টা না হলে ভাত খাইতামনা। পায়ের তলা এবং আঙ্গুলের ফাঁকের মধ্যে লাল হয়ে গিয়েছিল। পানি লাগা মাত্র জ্বালা যন্ত্রণা করতো। প্রায় ৯ দিন তাদের সাথে থাকি পরে বাঁশ যখন বিক্রি করে তখন ৫০০ টাকা আমাকে দিতে বললে তারা না করে দেয়। এবং তাদের থেকে আমি চলে আছি হাতে টাকা-পয়সা নেই কী করবো?

মনে মনে চিন্তা করতেছি সামনে শীতকাল, ঝাড়ু কাটার সময়। যারা ঝাড়ু ব্যবসা করে তাদের থেকে অগ্রীম কিছু টাকা পাওয়া যায় কিনা হাটতে থাকি বাজারের উদ্দেশ্যে সেই ঝাড়ু ব্যবসায়ীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝ পথে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। সকাল থেকে কিছু খাই নাই, মাঝ পথে একটি দোকানে বসি ক্লান্তি দূর করার জন্য, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়ি টেবিলে মাথা রেখে। ঘুম থেকে উঠে দেখি আসরের আযান দিচ্ছে। চিন্তায় পড়ে গেলাম কোথায় থাকবো রাতে! হঠাৎ এক ভদ্র লোক এসে আমার পাশে বসে দোকানদারের সাথে কথা বলতেছেন। তার জমিনে নাকি কাজ করার জন্য ১ জন লোকের প্রয়োজন। সেই মুসলিম ছিলো। আমি আর কোন দ্বিধাবোধ না করে বলে ফেলি আমি কাজ করবো। পরে সেই আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং দুইজন একসাথে খাবার খেতে বসি। খাবার শেষ করে বসে যাই চুক্তির দিকে। তিনি আমাকে মাসে সামান্য কিছু পকেট খরচ দিবেন বলেন, এবং তাতে আমি রাজি হয়ে যাই। কারণ আমার টাকা-পয়সা প্রয়োজন ছিলনা, প্রয়োজন ছিলো থাকার জায়গা, থাকার জায়গা যখন পেয়ে গিয়েছি তখন আর কিসের টাকা প্রয়োজন। কাজ করতে থাকি এমনকি ঘরের মালিক আমার সরলতা সুযোগ পেয়ে তার ঘরের খাবার পানি পর্যন্ত আমাকে কাজের শেষে ভাত খাইতে যাওয়ার সময় পানি নিয়ে যেতে হয়তো। প্রায় ৩ মাসের মতো কাজ করি কোন সমস্যা হয়নি।

হঠাৎ বাবা জানতে পারে, আমি মুসলিম পরিবারে আশ্রয় নিয়েছি। সাথে সাথে পাড়ার কয়েকজন লোক নিয়ে আসে আমাকে মেরে ফেলার জন্য, পরে আমি জানতে পেরে বাড়ির পিছন দিক থেকে পালিয়ে যাই। পরে বাড়ির মালিক আমাকে বলে ভাইগ্না আমার পক্ষে আর সম্ভব না তোমাকে রাখা। পরে আঙ্কেল আমাকে ১০০০ টাকা হাতে দিয়ে বলে বাকি টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দিবো, আমি তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আছি।

কতদূর আসতে না আসতে আরেক আঙ্কেলের সাথে দেখা। আঙ্কেল আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করে আমি কোথায় যাচ্ছি? তারপরে আঙ্কেলেকে আমি আমার সমস্যার কথা বলি, সেই আমাকে তার রাবার বাগানে কাজ করার জন্য বলে। আমিও রাজি হয়ে যাই। দীর্ঘ ৭ মাস পর্যন্ত আঙ্কেলের বাগানে কাজ করতে থাকি। সারাদিন কাজ করে রাতে ঘুমানোর আগে যখন তার রাবারের হিসাব করার জন্য বসতো আঙ্কেলে আমাকে ডাকতো, নাস্তা করাতো, খুব আদর স্নেহ করতো এবং ইসলাম ধর্মের বিষয় নিয়ে আমাকে বুঝাতো এবং কয়েকদিনের ভিতরে আমি আঙ্কেলেকে ইসলামের পথে আসার আশ্বাস দিই। আঙ্কেলে আমাকে কালেমা পাঠ করায় এবং আঙ্কেলে আমাকে তাবলীগে যাওয়ার জন্য বুঝাতে থাকে আমিও রাজি হয়ে যাই।

আঙ্কেলে খোঁজ-খবর নিতে থাকে কীভাবে তাবলীগে পাঠানো যায়। পরবর্তীতে (ডা. মো. ইউসুফ আলী) স্যারের সাথে যোগাযোগ হয়। এবং আঙ্কেল আমাকে খৎনা করানোর জন্য (ডা. মো. ইউসুফ আলী স্যারকে) অনুরোধ করতে থাকে। পরে (ডা. মো. ইউসুফ আলী) স্যার কোন খরচ ছাড়া ফ্রি অপারেশন এবং যাবতীয় ঔষধসহ দিয়ে দেন।

কয়েকদিন পরে কক্সবাজার ইজতেমা হয় এবং ইজতেমা যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে যাই। ইজতেমায় চলে যাই এবং ইজতেমা থেকে ৩ চিল্লার নিয়তে বের হয়ে যাই। এই ৩ চিল্লার সমস্ত খরচ ডা. মো. ইউসুফ আলী স্যার দিয়েছিলেন

সাথী ভাইদের সাথে ১ চিল্লা শেষ হতে না হতেই আব্বু ঝামেলা করতে থাকে এবং সেনাবাহিনীর কাছে বিচার দেয়। পরে ১ চিল্লা শেষ করেই চলে আসি এবং চলে যাই সেনাবাহিনীর কাছে। বিচারের রায় পাওয়ার অপেক্ষা! সেই রায়ে আমি নিজেই মা-বাবার তেজ্য পুত্র হয়ে যাই। আমি চলে আসি (ডা. মো. ইউসুফ আলী) স্যারের হাসপাতালে। আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ আমাকে এমন একজন অভিভাবক দিয়েছেন, যিনি নিজের কথা চিন্তা না করে আগে গরীব মুসলিম ও নওমুসলিমদের পিছনে সাহায্যের হাত বাড়াতে থাকেন। যিনি অন্যায়কে কখনো প্রশয় দেননি দিবেনও না। আল্লাহ সেই অভিভাবক (ডা. মো. ইউসুফ আলী) স্যারকে নেক হায়াত দান করেন।

আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ সোবহানাহু তা’য়ালা আমাকে ধৈর্য ধরে রাখার তৌফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ! সেই ধৈর্য ধরে রাখার ফলাফল আমাকে আল্লাহ দিয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 + 11 =

আরও পড়ুন