সু চীর সহপাঠি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির সহপাঠি ও দীর্ঘদিনের বন্ধু থিন কিইউ দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। দেশটির আইনপ্রণেতারা পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে তাঁকে এ পদে নির্বাচিত করেছেন। গত কয়েক দশকের মধ্যে তিনিই প্রথম বেসামরিক ব্যক্তি হিসেবে এ পদে আসীন হতে যাচ্ছেন।
এএফপির খবরে জানানো হয়, ৬৯ বছর বয়সী থিন কিইউ দুই কক্ষের ৬৫২ ভোটের মধ্যে ৩৬০টি ভোট পান। তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করার সময় আইনপ্রণেতারা তুমুল করতালি দিয়ে স্বাগত জানান। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে সু চির বিজয় বলে অভিহিত করেন থিন কিইউ।
সু চির ছোটবেলার বন্ধু থিন। সুখে-দুঃখে সব সময় তিনি সু চির পাশে থেকেছেন। একসময় তাঁর গাড়িও চালিয়েছেন। ২০০৮ সালে সেনাবাহিনীর প্রবর্তিত সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, স্বামী-সন্তান বিদেশি নাগরিক হওয়ায় ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান সু চি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ছিলেন। তখন তিনি এ পদে বন্ধু ও কাছের মানুষ থিনকে মনোনীত করেন। আজ থিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে সু চিই দেশ শাসন করতে পারবেন।
থিন মিয়ানমারের প্রখ্যাত কবি ও এনএলডির প্রবীণ নেতা মিন থু ইউনের ছেলে। মিয়ানমারে গণতন্ত্রের আন্দোলনের সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। থিনের স্ত্রী সু সু এলউইন এনএলডির সাংসদ। সু সুর বাবা একসময় দলের মুখপাত্র ছিলেন।
থিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সত্তর ও আশির দশকে তিনি শিল্প ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন।



















